ঈদুল ফিতরে টুপির চাহিদা মেটাতে ব্যস্ত কামরাঙ্গীরচরের কারিগররা
সুঁই-সুতার নিপুণ কারুকাজে টুপি তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন রাজধানীর কামরাঙ্গীরচরের কারিগররা। সামনে পবিত্র ঈদুল ফিতর, তাই দিনরাত টুপি তৈরির কাজে কারখানায় এখন দম ফেলার ফুরসত নেই কারও। যদিও সারাবছরই এখানকার কারখানাগুলো কর্মব্যস্ত থাকে, তবে রোজা ও ঈদকে কেন্দ্র করে টুপির চাহিদা কয়েকগুণ বেড়ে যায়।
মধ্যপ্রাচ্যে রফতানি বৃদ্ধি ও বাজার সম্প্রসারণ
কামরাঙ্গীরচরের তৈরি এসব দৃষ্টিনন্দন টুপির বড় বাজার এখন মধ্যপ্রাচ্য। এখানকার কারিগরদের হাতের তৈরি উন্নতমানের ও নান্দনিক নকশার টুপি ওমান, কুয়েত, কাতার, সৌদি আরব এবং বাহরাইনসহ বিভিন্ন দেশে রফতানি হচ্ছে। বিদেশের বাজারে চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় বাড়তি যোগান দিতে দিনরাত কাজ করে চলেছেন পুরুষ ও নারী শ্রমিকেরা।
টুপির মূল্য ও উৎপাদন প্রক্রিয়া
নকশা ও উপকরণের ভিন্নতা অনুযায়ী বর্তমানে এক ডজন টুপি পাইকারি ২০০ থেকে ৭০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। সরেজমিনে দেখা গেছে, প্রতিটি কারখানায় নকশা তোলা, সেলাই ও ফিনিশিংয়ের কাজে ব্যস্ত শত শত কারিগর। আধুনিক নকশা ও টেকসই বুননের কারণে স্থানীয় বাজারের পাশাপাশি পাইকারি ক্রেতারাও ভিড় করছেন কামরাঙ্গীরচরে। উন্নতমানের ও নান্দনিক নকশার টুপি রফতানি হয় বিদেশেও, যা দেশের অর্থনীতিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখছে।
এই ঈদ মৌসুমে টুপির চাহিদা পূরণ করতে কারিগরদের অক্লান্ত পরিশ্রম চলছে, যা স্থানীয় কর্মসংস্থান ও রফতানি আয় বৃদ্ধিতে সহায়ক হচ্ছে।



