এপ্রিলের প্রথম ১৫ দিনে রেমিট্যান্সে ২১.৫% প্রবৃদ্ধি, ১৭৮ কোটি ৮০ লাখ ডলার এসেছে
এপ্রিলে রেমিট্যান্সে ২১.৫% প্রবৃদ্ধি, ১৭৮ কোটি ডলার

বাংলাদেশের অর্থনীতিতে রেমিট্যান্স প্রবাহে ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। চলতি বছরের এপ্রিল মাসের প্রথম ১৫ দিনে দেশে ১৭৮ কোটি ৮০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে বলে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্যে জানা গেছে। এই সময়ে রেমিট্যান্স প্রবাহে উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি পরিলক্ষিত হয়েছে, যা দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখছে।

একদিনেই ১৮ কোটি ১০ লাখ ডলার

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুসারে, ১৫ এপ্রিল একদিনেই দেশে ১৮ কোটি ১০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স প্রবাহিত হয়েছে। এটি রেমিট্যান্স প্রবাহের দৈনিক গতিবিধির একটি শক্তিশালী সূচক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, প্রবাসী বাংলাদেশিদের দেশে অর্থ প্রেরণের হার বৃদ্ধি পাওয়ায় এমন ফলাফল দেখা দিচ্ছে।

গত বছরের তুলনায় প্রবৃদ্ধি

গত বছরের একই সময়ে, অর্থাৎ ১ থেকে ১৫ এপ্রিল ২০২৫ পর্যন্ত, রেমিট্যান্স এসেছিল ১৪৭ কোটি ২০ লাখ মার্কিন ডলার। সে হিসেবে চলতি এপ্রিল মাসের প্রথম ১৫ দিনে রেমিট্যান্স প্রবাহে প্রায় ২১ দশমিক ৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে। এই বৃদ্ধি দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে একটি উৎসাহব্যঞ্জক সংকেত হিসেবে কাজ করছে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

২০২৫-২৬ অর্থবছরের সামগ্রিক চিত্র

২০২৫-২৬ অর্থবছরের শুরু থেকে ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত মোট রেমিট্যান্স এসেছে ২৭ হাজার ৯৯৬ কোটি মার্কিন ডলার। আগের অর্থবছরের একই সময়ে এই পরিমাণ ছিল ২৩ হাজার ২৫৭ কোটি মার্কিন ডলার। ফলে, চলতি অর্থবছরে এখন পর্যন্ত রেমিট্যান্স প্রবাহে প্রবৃদ্ধি হয়েছে প্রায় ২০ দশমিক ৪ শতাংশ।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

অর্থনীতির জন্য গুরুত্ব

রেমিট্যান্স বাংলাদেশের অর্থনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ হিসেবে বিবেচিত হয়। এটি বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বৃদ্ধি, বাণিজ্য ঘাটতি পূরণ এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে সহায়তা করে। বিশেষজ্ঞরা উল্লেখ করেন, সরকারি নীতিমালা ও ব্যাংকিং সুবিধার উন্নয়নের ফলে রেমিট্যান্স প্রবাহে এই ইতিবাচক প্রবণতা দেখা দিয়েছে।

সাম্প্রতিক প্রবৃদ্ধি দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে, বিশ্ব অর্থনীতির পরিবর্তনশীল পরিস্থিতি ও মুদ্রার মানের ওঠানামা রেমিট্যান্স প্রবাহকে প্রভাবিত করতে পারে বলে সতর্ক করেছেন বিশ্লেষকরা।