সোনার দামে পুনরায় পতন: ২২ ক্যারেট সোনা প্রতি ভরিতে কমেছে ৩,২৬৬ টাকা
সোনার দামে পতন: ২২ ক্যারেট সোনা প্রতি ভরিতে ৩,২৬৬ টাকা কম

সোনার বাজারে পুনরায় পতন: ২২ ক্যারেট সোনার দাম প্রতি ভরিতে ৩,২৬৬ টাকা কমেছে

দেশীয় বাজারে সোনার দাম আবারও নিম্নমুখী হয়েছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) এর সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সর্বোচ্চ মানের ২২ ক্যারেট সোনার দাম প্রতি ভরিতে (১১.৬৬৪ গ্রাম) ৩,২৬৬ টাকা কমিয়ে ২,৬৪,৯৪৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এই নতুন মূল্য তালিকা সোমবার সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়েছে।

বাজুসের সিদ্ধান্ত ও মূল্য নির্ধারণ প্রক্রিয়া

বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশনের মূল্য নির্ধারণ ও মূল্য পর্যবেক্ষণ কমিটির একটি সভায় এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। কমিটির চেয়ারম্যান ড. দেবান আমিনুল ইসলাম শাহীন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে সংশোধিত মূল্য তালিকা ঘোষণা করা হয়। বাজুস জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে খাঁটি (অ্যাসিড) সোনার দাম হ্রাস পাওয়ায় এই সমন্বয় করা হয়েছে।

বিভিন্ন ক্যারেট সোনার নতুন দাম

নতুন মূল্য তালিকা অনুযায়ী, ২১ ক্যারেট সোনার দাম প্রতি ভরিতে ৩,১৪৯ টাকা কমিয়ে ২,৫২,৮৭৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ১৮ ক্যারেট সোনার দাম ২,৬৮৩ টাকা হ্রাস পেয়ে প্রতি ভরিতে ২,১৬,৭৭৫ টাকা হয়েছে। এছাড়াও, ঐতিহ্যবাহী পদ্ধতিতে উৎপাদিত সোনার দাম ২,২১৬ টাকা কমিয়ে ১,৭৬,৯৪৩ টাকা প্রতি ভরিতে নির্ধারণ করা হয়েছে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

গত কয়েক দিনের দামের প্রবণতা

এর আগে, ৪ মার্চ বাজুস ২২ ক্যারেট সোনার দাম প্রতি ভরিতে ৯,২১৪ টাকা কমিয়ে ২,৬৮,২১৪ টাকা নির্ধারণ করেছিল। সর্বশেষ এই হ্রাস সেই সমন্বয়ের মাত্র পাঁচ দিন পর এসেছে, যা বাজারের অস্থিরতা নির্দেশ করে।

রূপার দামেও পতন

সোনার পাশাপাশি রূপার দামও কমেছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২২ ক্যারেট রূপার দাম প্রতি ভরিতে ১৭৫ টাকা কমিয়ে ৬,৩৫৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ২১ ক্যারেট রূপার দাম প্রতি ভরিতে ৬,০৬৫ টাকা এবং ১৮ ক্যারেট রূপার দাম ৫,১৯০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ঐতিহ্যবাহী পদ্ধতিতে উৎপাদিত রূপার দাম প্রতি ভরিতে ৩,৯০৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

দেশব্যাপী কার্যকর নতুন মূল্য

সংশোধিত এই মূল্য তালিকা সোমবার সকাল ১০টা থেকে দেশের সকল জুয়েলারি দোকানে কার্যকর হয়েছে। বাজুসের এই পদক্ষেপ ভোক্তা ও ব্যবসায়ীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে, বিশেষ করে বিবাহ ও উৎসবের মৌসুমে সোনার চাহিদা বিবেচনায় নিয়ে।