মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেছেন, দেশী জাতের গবাদিপশুর উন্নয়ন এবং খামারের ব্যবস্থাপনা আরও শক্তিশালী করতে সরকার কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করে যাচ্ছে। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সাভারে অবস্থিত কেন্দ্রীয় গো-প্রজনন ও দুগ্ধ খামার পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন।
খামারে নিজস্ব ঘাস ব্যবহারের ইতিবাচক অগ্রগতি
প্রতিমন্ত্রী বলেন, কেন্দ্রীয় গো-প্রজনন ও দুগ্ধ খামারে উৎপাদিত নিজস্ব ঘাসই এখানকার গবাদিপশুর খাদ্য হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে, যা একটি ইতিবাচক অগ্রগতি। তিনি আরও বলেন, উন্নত ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে খামারের উৎপাদনশীলতা ও কার্যকারিতা আরও বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে, যাতে প্রত্যাশিত ফলাফল অর্জন করা যায়।
খামারের বিভিন্ন ইউনিট পরিদর্শন
পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রী খামারের বাছুর (ক্যাফ) সেকশন, ডেইরি ফার্ম, পাবনা ক্যাটল ইউনিট, মীরকাদিম ইউনিট, হলস্টেইন-ফ্রিজিয়ান ইউনিট, কৃত্রিম প্রজনন (এআই) ল্যাবরেটরি, ব্রিডিং বুল ইউনিট এবং শতভাগ আমেরিকান ফ্রিজিয়ান বুল পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি দেশী জাতের গবাদিপশুর উন্নয়ন, পশুখাদ্য উৎপাদন, খামার ব্যবস্থাপনা এবং সার্বিক অবকাঠামোগত কার্যক্রম ঘুরে দেখেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।
সরেজমিন পরিদর্শনের গুরুত্ব
প্রতিমন্ত্রী বলেন, কাগজ-কলমের তথ্যের সঙ্গে বাস্তব চিত্র সবসময় পুরোপুরি প্রতিফলিত হয় না। তাই মাঠ পর্যায়ে সরেজমিন পরিদর্শনের মাধ্যমে প্রকৃত অবস্থা সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়। এতে বিদ্যমান সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে সেগুলোর কার্যকর সমাধানে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা সম্ভব হয়। তিনি আরও বলেন, অতীতে কী হয়েছে, সেটি নিয়ে আমরা এগোতে চাই না। আমাদের লক্ষ্য উন্নয়ন। সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নে মাঠ পর্যায়ে নিয়মিত পরিদর্শনের মাধ্যমে বাস্তবতার নিরিখে প্রয়োজনীয় ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে।
উপস্থিত কর্মকর্তারা
পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো: শাহজামান খান, কেন্দ্রীয় গো প্রজনন ও দুগ্ধ খামারের পরিচালক মো. শহিদুল ইসলাম এবং খামারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।



