আয়কর রিটার্ন জমা শেষ তারিখ ৩১ মার্চ, মাত্র সাত দিন বাকি
আয়কর রিটার্ন জমার শেষ তারিখ ৩১ মার্চ

আয়কর রিটার্ন জমার শেষ তারিখ ৩১ মার্চ, মাত্র সাত দিন বাকি

আগামী ৩১ মার্চের মধ্যে ব্যক্তিগত করদাতাদের জন্য আয়কর রিটার্ন জমা দিতে হবে। এই সময়ের মধ্যে করদাতাদের রিটার্ন জমাদানের সকল আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করতে হবে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) জানিয়েছে, এবার অধিকাংশ করদাতার জন্য অনলাইনে আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। ফলে বাড়ি থেকে সহজেই ই-রিটার্ন জমা দেওয়া সম্ভব।

অনলাইন সিস্টেমে রিটার্ন জমা

এনবিআর-এর অনলাইন রিটার্ন সিস্টেম সপ্তাহান্তে বা সরকারি ছুটির দিনেও চালু থাকে। সাধারণত প্রতি বছর ৩০ নভেম্বর আয়কর রিটার্ন জমার শেষ তারিখ নির্ধারিত থাকে। তবে এবার তিন ধাপে এক মাস বাড়িয়ে শেষ তারিখ ৩১ মার্চ নির্ধারণ করা হয়েছে।

করদাতা ও নিবন্ধনের সংখ্যা

এনবিআর সূত্র অনুযায়ী, দেশে বর্তমানে ১ কোটি ২০ লাখের বেশি টিনধারী রয়েছেন। তাদের করযোগ্য আয় থাকলে রিটার্ন জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক। এখন পর্যন্ত ৪১ লাখ করদাতা রিটার্ন জমা দিয়েছেন। এর মধ্যে ৫০ লাখের বেশি করদাতা অনলাইনে রিটার্ন জমা দেওয়ার জন্য নিবন্ধিত হয়েছেন।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

ই-রিটার্ন জমার পদ্ধতি

ই-রিটার্ন জমা দিতে করদাতাদের প্রথমে এনবিআর-এর নির্ধারিত ওয়েবসাইটে গিয়ে নিবন্ধন করতে হবে। নিবন্ধনের পর ব্যবহারকারীর নাম ও পাসওয়ার্ড দিয়ে লগ ইন করে সহজেই রিটার্ন জমা দেওয়া যাবে। অনলাইনে রিটার্ন জমা দেওয়ার সময় কোনও নথি আপলোড করার প্রয়োজন নেই; প্রয়োজনীয় তথ্য প্রদান করলেই চলবে।

অনলাইনে কর পরিশোধ

একইসাথে অনলাইনে কর পরিশোধ করা যাবে। ব্যাংক ট্রান্সফার, ডেবিট বা ক্রেডিট কার্ডের পাশাপাশি বিকাশ, রকেট, নগদসহ বিভিন্ন মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস ব্যবহার করে কর পরিশোধের সুযোগ রয়েছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

বিশেষজ্ঞদের সতর্কতা

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শেষ মুহূর্তে তাড়াহুড়ো করে রিটার্ন জমা দিলে ভুলের ঝুঁকি থাকে। এর ফলে করদাতা জরিমানা ও আইনি জটিলতার মুখোমুখি হতে পারেন। তাই যত দ্রুত সম্ভব রিটার্ন প্রস্তুত করে জমা দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

রিটার্ন জমার আগে করণীয়

রিটার্ন জমা দেওয়ার আগে করদাতাদের কয়েকটি বিষয় মনে রাখতে বলা হয়েছে:

  • আয়-ব্যয়ের হিসাব আগে থেকেই প্রস্তুত করুন
  • প্রয়োজনীয় নথিপত্র সংগ্রহ করুন
  • অনলাইন সিস্টেমে লগ ইন করে তথ্য যাচাই করুন
  • জমা দেওয়ার আগে সমস্ত তথ্য আবার পরীক্ষা করুন
  • প্রয়োজনে কর পরামর্শকের সহায়তা নিন

কর কর্তৃপক্ষ বলছে, সময়ের আগে রিটার্ন জমা দিয়ে করদাতারা ঝামেলা এড়াতে পারেন এবং অনলাইন সিস্টেমের সুবিধা পুরোপুরি কাজে লাগাতে পারেন।