ইরানের তেলের ওপর থেকে বিধিনিষেধ সরালো যুক্তরাষ্ট্র
ইরানের তেলের ওপর থেকে বিধিনিষেধ সরালো যুক্তরাষ্ট্র

অন্তর্বর্তী চুক্তির পর বড় পরিবর্তন

গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে একটি অন্তর্বর্তীকালীন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, ওয়াশিংটন অঙ্গীকার করেছে যে তেহরান যদি কয়েকটি নির্দিষ্ট মানদণ্ড মেনে চলে, তাহলে জব্দ করা ইরানি সম্পদ মুক্ত করবে যুক্তরাষ্ট্র। পাশাপাশি, ইরানকে আন্তর্জাতিক ব্যাংকিং প্রক্রিয়া ও বাজারে প্রবেশের অনুমতি দেওয়ার কথাও জানানো হয়।

তেল নীতিতে বড় পরিবর্তন

চুক্তি স্বাক্ষরের পর গত ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা ঘটেছে। ইরানের তেল খাত প্রসঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের নীতিতে এসেছে বড় পরিবর্তন। আগের নীতি থেকে বের হয়ে এসে ইরানের তেলের ওপর থেকে বিধিনিষেধ সরিয়ে নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মঙ্গলবার (২৩ জুন) কাতারভিত্তিক গণমাধ্যম আল জাজিরা এই তথ্য জানিয়েছে।

ইরানের তেল বিক্রিতে নতুন সুযোগ

বিধিনিষেধ চালু থাকা সত্ত্বেও বছরের পর বছর নিজেদের এই গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সম্পদ বাইরের ক্রেতাদের কাছে বিক্রি করে এসেছে ইরান। তবে সে ক্ষেত্রে তাদেরকে মোটা অংকের মূল্য ছাড় দিতে হয়েছিল। ক্রেতাদের যুক্তি ছিল, 'ইরানের কাছ থেকে তেল কিনে যুক্তরাষ্ট্রের শত্রু হওয়ার ঝুঁকি নিতে হচ্ছে।' যার ফলে অবিশ্বাস্য কম দামে ইরানের তেল কিনে নিতে পারতো ওই দেশগুলো। তবে পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে পূর্ণ দামে তেল বিক্রি করার সুযোগ পাবে ইরান। অর্থাৎ, আন্তর্জাতিক বাজারে যে দামে তেল বিক্রি হবে, ইরানের কাছ থেকে তেল কিনতে হলেও সে দামই চুকাতে হবে। এতে ইরানের ভঙ্গুর অর্থনীতিতে নতুন করে হাজারো লাখ মার্কিন ডলার আসতে পারে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

বিশ্লেষকদের মতামত

বিশ্লেষকদের মতে, এটা ইরানবাসীদের জীবনে আমূল পরিবর্তন এনে দেবে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, অন্যান্য বিধিনিষেধ থেকে বের হয়ে আসতে ইরানকে আরও বেশ কয়েক ধরনের 'মানদণ্ড' মানতে হবে। রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সোমবার থেকে শুরু করে আগামী ৬০ দিন পর্যন্ত ইরানের ওপর প্রযোজ্য বিধিনিষেধ প্রত্যাহার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প হুমকি দিয়ে বলেছেন, ইরান যদি চুক্তির শর্ত না মানে, তাহলে 'যা করার প্রয়োজন', তাই করবেন তিনি।