ভারী বৃষ্টিতে ভূমিধসে বান্দরবানে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ, মেরামত চলছে
ভারী বৃষ্টিতে ভূমিধসে বান্দরবানে বিদ্যুৎ বন্ধ

ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে সৃষ্ট ভূমিধসে কেরানীহাট-বান্দরবান সড়কের ৩৩ কেভি বৈদ্যুতিক খুঁটি পড়ে যাওয়ায় বান্দরবান জেলায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। সোমবার রাতে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের ভেরিফায়েড পেজে প্রকাশিত এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে বিদ্যুৎ বিভাগ এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

ভূমিধসে বৈদ্যুতিক খুঁটি ভেঙে পড়া

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, টানা ভারী বর্ষণের ফলে ভূমিধসের কারণে সড়কের ওপর ৩৩ কেভি পোলটি ভেঙে পড়ে বিদ্যুৎ সঞ্চালন ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। কারিগরি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে মেরামতের কাজ শুরু করেছে। কাজ শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই দ্রুত বিদ্যুৎ সংযোগ চালু করা হবে বলে আশ্বস্ত করা হয়েছে।

আবহাওয়ার পূর্বাভাস ও নিম্নচাপের অবস্থান

বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট মৌসুমি নিম্নচাপটি পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে সরে বর্তমানে ভারতের ঝাড়খন্ড ও উড়িষ্যা অঞ্চলে অবস্থান করছে। এটি আরও পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হতে পারে। এর প্রভাবে বাংলাদেশের ওপর দিয়ে বয়ে চলা মৌসুমি বায়ু সক্রিয় হয়ে ওঠায় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে এর প্রভাব বেশি থাকায় দেশের বিভিন্ন এলাকায় ভারী থেকে অতিভারী বর্ষণের অনুকূল পরিবেশ তৈরি হয়েছে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

২৪ ঘণ্টার বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস

সোমবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে অধিদপ্তর জানিয়েছে, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগের অনেক স্থানে অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ বজ্রবিদ্যুৎ ও হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি হতে পারে। এর মধ্যে খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও ভারী থেকে অতিভারী বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

নদীর পানি বৃদ্ধি ও বন্যার শঙ্কা

বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, আগামী ২৪ থেকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে গোমতী, মুহুরী, সেলোনিয়া ও ফেনী নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পেয়ে কক্সবাজার, ফেনী ও চট্টগ্রাম জেলার কিছু স্থানে বিপৎসীমা অতিক্রম করতে পারে। এর ফলে নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলে স্বল্পমেয়াদি বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে। একই সঙ্গে লক্ষ্মীপুর ও নোয়াখালী জেলার কিছু নিম্নাঞ্চল সাময়িকভাবে প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।