বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির প্রেক্ষিতে দেশে নতুন মূল্য নির্ধারণ
বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির প্রেক্ষিতে সরকার দেশে ভোক্তা পর্যায়ে জ্বালানি তেলের মূল্য সমন্বয় করেছে। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় শনিবার এক গেজেট বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেছে।
নতুন মূল্য কাঠামো
নতুন নির্ধারিত মূল্য অনুযায়ী, অকটেনের দাম লিটারে ২০ টাকা বাড়িয়ে ১৪০ টাকা করা হয়েছে। পেট্রোলের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে লিটারে ১৩৫ টাকা, ডিজেল ১১৫ টাকা এবং কেরোসিন ১৩০ টাকা।
সিনিয়র সহকারী সচিব এনামুল হকের স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এই সমন্বয় আন্তর্জাতিক বাজারের সাথে দেশীয় মূল্যকে সামঞ্জস্য করার জন্য করা হয়েছে। নতুন মূল্য কাঠামো ১৯ এপ্রিল থেকে কার্যকর হবে।
বিশ্ববাজারের অস্থিরতা
বর্তমান ইরান যুদ্ধের কারণে বিশ্ব জ্বালানি বাজার অস্থির হয়ে উঠেছে, যার ফলে দাম ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই অস্থিরতা দেশীয় বাজারকেও প্রভাবিত করেছে, অনেক এলাকায় দীর্ঘ লাইন এবং জ্বালানি তেলের ঘাটতির খবর পাওয়া গেছে।
মূল্য বৃদ্ধির প্রেক্ষাপট
মাসের শুরুতে সরকারের আশ্বাস সত্ত্বেও জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি করা হয়েছে। সরকার আগে জানিয়েছিল যে আপাতত দাম অপরিবর্তিত থাকবে, কিন্তু বিশ্ববাজারের অবস্থার কারণে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
ভোক্তাদের উপর প্রভাব
এই মূল্য বৃদ্ধি সরাসরি ভোক্তাদের উপর প্রভাব ফেলবে, বিশেষ করে যারা নিয়মিত যানবাহন চালান বা জ্বালানি তেলের উপর নির্ভরশীল। অনেক এলাকায় ইতিমধ্যেই দাম বৃদ্ধির আগাম আভাসে দীর্ঘ লাইন দেখা গেছে, যা জ্বালানি সরবরাহে চাপ সৃষ্টি করেছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিশ্ববাজারের অস্থিরতা অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে আরও মূল্য সমন্বয়ের প্রয়োজন হতে পারে। সরকারের এই সিদ্ধান্ত আন্তর্জাতিক বাজারের সাথে সামঞ্জস্য বজায় রাখার জন্য একটি প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।



