মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তেল রফতানিকারক দেশগুলোর সংগঠন ওপেক থেকে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বেরিয়ে যাওয়ার পদক্ষেপকে ‘চমৎকার’ বলে অভিহিত করেছেন। তিনি বলেছেন, আমিরাতের এই পদক্ষেপ তেলের দাম কমাতে সাহায্য করতে পারে।
আমিরাতের ওপেক ত্যাগ
এক প্রতিবেদনে খালিজ টাইমস বলছে, গত মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) ওপেক ও ওপেক প্লাস ছাড়ার ঘোষণা দেয় সংযুক্ত আরব আমিরাত। ইরান যুদ্ধের কারণে সৃষ্ট বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের মধ্যে দেশটির এই পদক্ষেপ তেল রফতানিকারক সংস্থা এবং এর প্রধান সদস্য সৌদি আরবের জন্য একটি বড় ধাক্কা বলে মনে করা হচ্ছে।
ট্রাম্পের প্রতিক্রিয়া
বুধবার (২৯ এপ্রিল) হোয়াইট হাউসে সংযুক্ত আরব আমিরাতের এই সিদ্ধান্ত সম্পর্কে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, ‘আমি মনে করি এটা একটা চমৎকার পদক্ষেপ।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমি মনে করি গ্যাস, তেল এবং সবকিছুর দাম কমানোর জন্য এটা শেষ পর্যন্ত একটা ভালো পদক্ষেপ। ওপেকে তাদের কিছু সমস্যা হচ্ছে।’
হরমুজ প্রণালির সংকট
ওপেকভুক্ত উপসাগরীয় দেশগুলো আগেই হরমুজ প্রণালি দিয়ে জ্বালানি রপ্তানিতে সমস্যায় পড়ছিল। ইরান ও ওমানের মাঝখানে থাকা এই সরু জলপথ দিয়ে সাধারণত বিশ্বের মোট অপরিশোধিত তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ পরিবহন হয়। কিন্তু ইরানের হুমকি ও জাহাজে হামলার কারণে রফতানি ব্যাহত হচ্ছে।
ট্রাম্পের মন্তব্য ও আমিরাতের ওপেক ত্যাগের ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম কমতে পারে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন। তবে ওপেক ও সৌদি আরবের জন্য এটি একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।



