রাজশাহীতে জ্বালানি সরবরাহ বাড়ায় কমেছে ক্রেতাদের দীর্ঘ লাইন, স্বস্তি ফিরছে
রাজশাহীতে জ্বালানি সরবরাহ বাড়ায় কমেছে ক্রেতাদের লাইন

রাজশাহীতে জ্বালানি সরবরাহ বাড়ায় ক্রেতাদের লাইন কমেছে, স্বস্তি ফিরছে

রাজশাহী নগরীর বিভিন্ন পেট্রোলপাম্পে জ্বালানি সরবরাহ বৃদ্ধি পাওয়ায় ক্রেতাদের দীর্ঘ লাইন উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে। সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফিরে আসতে শুরু করেছে, যা আগের কয়েক দিনের তুলনায় একটি ইতিবাচক পরিবর্তন হিসেবে দেখা যাচ্ছে। বুধবার (২২ এপ্রিল) নগরীর বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে দেখা গেছে, আগে যেখানে এক লিটার তেল পাওয়া সৌভাগ্যের বিষয় ছিল, সেখানে এখন অপেক্ষার সময় কমে এসেছে।

ব্যবসায়ী ও শিক্ষার্থীদের অভিজ্ঞতা

গুলগফুর পেট্রোল পাম্পে হেতেমখাঁ থেকে তেল নিতে আসা ব্যবসায়ী রহমত আলী বলেন, 'আগে সারারাত অপেক্ষা করতে হতো, কিন্তু এখন সকালে আসলে ঘণ্টাখানেক দাঁড়ালে তেল পাওয়া যাচ্ছে।' তিনি আরও উল্লেখ করেন যে আগে অল্প পরিমাণ তেল দেওয়ার কারণে কিছু অসাধু ব্যক্তি বাড়তি দামে বিক্রি করত, কিন্তু এখন পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকায় সেই সুযোগ সীমিত হয়ে পড়েছে।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সোহাগ আলী বলেন, 'আগের তুলনায় এখন সিরিয়াল অনেক কমে এসেছে। আমি মাত্র আধা ঘণ্টার মধ্যেই পাম্প থেকে তেল নিতে পেরেছি।' এই দ্রুত সেবা শিক্ষার্থীদের জন্য একটি স্বস্তিদায়ক পরিবর্তন বয়ে এনেছে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

রাইডার ও পাম্প ব্যবস্থাপকের বক্তব্য

খড়বোনা এলাকার একটি খাবার সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের রাইডার বিপ্লব খান বলেন, 'আগে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লম্বা লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও তেল পাইনি। এখন দাম বাড়ার পর তেলের সরবরাহ বেড়ে যাওয়ায় বেশিক্ষণ অপেক্ষা করতে হয় না, ভোগান্তি কিছুটা কমেছে।'

হাবিব পেট্রোলপাম্পের ব্যবস্থাপক রাকিব হোসেন জানান, 'আমরা আগের তুলনায় তেল বেশি পাচ্ছি। গত কয়েক দিনের তুলনায় জ্বালানির সরবরাহ অনেকটাই বেড়েছে, তেলের পরিমাণও আগের চেয়ে বেশি।' তিনি আরও যোগ করেন যে সরকারের পক্ষ থেকে কাস্টমারের চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ নিশ্চিত করার নির্দেশনা আসছে, যা পরিস্থিতি দ্রুত বদলাতে সহায়ক হচ্ছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

পরিস্থিতির সামগ্রিক উন্নতি

নগরীর রাস্তায় প্রাইভেটকার ও মোটরসাইকেলের দীর্ঘ লাইনও কমে এসেছে, যা আগামী দিনগুলোতে আরও উন্নতির ইঙ্গিত দিচ্ছে। ডিজেলের জন্য বাসকে অপেক্ষা করতে দেখা গেলেও তা এখন ঘণ্টাখানেকের মধ্যে সীমাবদ্ধ। এই পরিবর্তনটি সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে এবং জ্বালানি সংকট প্রশমনে একটি আশাব্যঞ্জক পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।