বাংলাদেশের জিডিপিতে পর্যটন খাতের অবদান আট থেকে ৯ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য নিয়ে বর্তমান সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। রবিবার (১৮ মে) সন্ধ্যায় রাজধানী বনানীর শেরাটন হোটেলে ট্যুর অপারেটর অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (টোয়াব) এক অনুষ্ঠানে তিনি এই কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্য
প্রতিমন্ত্রী বলেন, “বর্তমানে দেশের জিডিপিতে পর্যটন খাতের অবদান মাত্র তিন শতাংশ। অদূর ভবিষ্যতে এ হার আট থেকে ৯ শতাংশে উন্নীতের লক্ষ্যে সরকার কাজ করে যাচ্ছে। এছাড়া পর্যটন খাতের অবকাঠামোগত উন্নয়নে পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ মডেলে কাজ করা হবে।”
পর্যটনের গুরুত্ব
তিনি আরও বলেন, “সরকার পর্যটনকে শুধু একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক চালিকাশক্তি হিসেবেই নয়, বরং কর্মসংস্থান সৃষ্টি, আঞ্চলিক উন্নয়ন এবং সাংস্কৃতিক বিনিময়ের একটি শক্তিশালী মাধ্যম হিসেবেও বিবেচনা করে। এ লক্ষ্যে দেশের এক হাজার ৪৯৮টি পর্যটন আকর্ষণকে উন্নয়ন ও প্রচারের জন্য একটি সমন্বিত পর্যটন মহাপরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে, যেখানে ইকো-ট্যুরিজম, অ্যাডভেঞ্চার ট্যুরিজম, ধর্মীয় পর্যটন এবং সাংস্কৃতিক ও ঐতিহ্যভিত্তিক পর্যটনকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।”
টোয়াবের প্রতি আহ্বান
এ সময় দেশের পর্যটন খাতের উন্নয়নে নীতিগত সংশোধনী আনয়নের লক্ষ্যে টোয়াবের পক্ষ থেকে প্রস্তাব দেওয়ার আহ্বান জানান প্রতিমন্ত্রী।



