আগামী বাজেট ব্যবসা-বান্ধব ও জনবান্ধব হবে: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা
আগামী বাজেট ব্যবসা-বান্ধব ও জনবান্ধব হবে: উপদেষ্টা

প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেছেন, আগামী বাজেটকে কীভাবে ব্যবসা বিনিয়োগ ও জনবান্ধব করা যায়, সে ব্যাপারে সরকার কাজ করছে। ব্যবসার ক্ষেত্রে যে নীতির ধারাবাহিকতা দরকার, সবগুলোর ব্যাপারে বর্তমান সরকার তার প্রথম বাজেটে উল্লেখ করবে এবং প্রথম বাজেট জনবান্ধব হবে। শুক্রবার দুপুরে রাজবাড়ী পৌরসভার রজনীগন্ধা মিলনায়তনে জনপ্রতিনিধি, গণ্যমান্য ব্যক্তি ও জেলা পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর এ কথা বলেন।

অবহেলিত অঞ্চলে বিশেষ প্রণোদনা

রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, দেশের যেসব অবহেলিত অঞ্চল আছে, সেসব অঞ্চলে বিভিন্ন শিল্প উৎপাদন, সহায়তা ও প্রণোদনা দেওয়া হবে। ইতিমধ্যে সরকার ৬০ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা দেওয়া শুরু করেছে। বন্ধ শিল্পকলকারখানার ক্ষেত্রে নিম্ন সুদের হারের সুযোগটা দেওয়া হবে। নারী উদ্যোক্তা, অতি ক্ষুদ্র কুটিরশিল্প উদ্যোক্তাদের ক্ষেত্রে এবং অবহেলিত অঞ্চলগুলোর ক্ষেত্রে বিশেষ সুবিধা দেওয়া হবে।

রাজবাড়ীতে শিল্পাঞ্চল গড়ে তোলার পরিকল্পনা

প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা বলেন, ‘আমরা আশা করি বর্তমান সরকারের গৃহীত পদক্ষেপে রাজবাড়ীতে একটা বড় পরিবর্তন ঘটাবে। আমরা জানি রাজবাড়ীতে বাংলাদেশ অক্সিজেন কোম্পানির একটা জায়গা ছিল। সেখানে কীভাবে শিল্পাঞ্চল হিসেবে গড়ে তুলতে পারি, সে ক্ষেত্রেও আমরা একযোগে কাজ করতে চাই।’ তিনি বলেন, ‘রাজবাড়ীতে কর্মসংস্থান তৈরি করে বেকারত্ব দূরীকরণ করা দরকার। যুব বেকারত্বের অভিশাপ থেকে মুক্ত হওয়া দরকার। আমাদের সরকার চেষ্টা করবে—এখানে বিনিয়োগের পরিস্থিতি কীভাবে উন্নয়ন করা যায়।’

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

স্বাস্থ্য ও শিক্ষায় সংস্কারের প্রতিশ্রুতি

রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর আরও বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী দেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থায় বড় রকমের পরিবর্তন দেখতে চান। বর্তমান সরকার প্রতিজ্ঞাবদ্ধ যে স্বাস্থ্যব্যবস্থাকে জনগণের স্বাস্থ্যের অধিকার হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা। আমাদের শিক্ষাব্যবস্থায় আমূল সংস্কার দরকার। শিক্ষার গুণগত মান যেমন দরকার, একই সঙ্গে এমন শিক্ষাব্যবস্থা দরকার, যার মাধ্যমে কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা যায়। শিক্ষার উন্নয়নের ক্ষেত্রে সরকার সর্বোচ্চ সহযোগিতা করবে।’

মতবিনিময় অন্যান্যের মধ্যে জেলা পরিষদের প্রশাসক আবদুস সালাম মিয়া, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনজুর মোরশেদ, সিভিল সার্জন এস এম মাসুদসহ জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের প্রধান, জনপ্রতিনিধি, বীর মুক্তিযোদ্ধা, বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।