হজরত শাহজালাল বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনাল চালুতে জাইকার সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ
হজরত শাহজালাল বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনালে জাইকার সহযোগিতা চাইল সরকার

হজরত শাহজালাল বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনাল চালুতে জাইকার সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ

হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনালের কার্যক্রম দ্রুত শুরু করতে জাপানের উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা জাইকার সহযোগিতা চেয়েছে বাংলাদেশ সরকার। সোমবার (৯ মার্চ) দুপুরে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানম (রিতা)’র সঙ্গে জাইকার চিফ রিপ্রেজেন্টেটিভ ইচিগুচি তোমোহিদে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে এই বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন প্রতিমন্ত্রী মিল্লাত

সাক্ষাৎকালে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও জোরদারের ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়। আলোচনায় হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালের কার্যক্রম দ্রুত চালুর বিষয়ে জাইকার সহযোগিতা কামনা করা হয়।

জাইকার পক্ষ থেকে আশ্বাস ও সহযোগিতার আগ্রহ

এসময় জাইকার চিফ রিপ্রেজেন্টেটিভ বাংলাদেশের চলমান উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে জাপানের সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশ্বাস দেন। এছাড়া দেশের পর্যটন খাতের উন্নয়নে জাইকার পক্ষ থেকে বাংলাদেশকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদানের আগ্রহও ব্যক্ত করা হয় বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে। এই সহযোগিতা বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও অবকাঠামো উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

আগামী গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের প্রস্তুতি

এদিকে আগামী ১১ মার্চ সরকারের উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে থার্ড টার্মিনাল চালুর ব্যাপারে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। এই বৈঠকে থার্ড টার্মিনালের কার্যক্রম ত্বরান্বিত করার জন্য কৌশলগত পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হবে। এটি বাংলাদেশের বিমান পরিবহন খাতের আধুনিকীকরণে একটি মাইলফলক হতে পারে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনাল প্রকল্পটি দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করতে সহায়ক হবে। জাইকার মতো আন্তর্জাতিক সংস্থার সহযোগিতা এই প্রকল্পের সফল বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। সরকারের এই উদ্যোগ বাংলাদেশের পর্যটন ও বাণিজ্য খাতের উন্নয়নে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে আশা করা হচ্ছে।