টেইলর সুইফটের মোট সম্পদের পরিমাণ অন্তত ১ দশমিক ৮ বিলিয়ন (১৮০ কোটি) মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ২ লাখ ২০ হাজার কোটি টাকা। অন্যদিকে তাঁর জীবনসঙ্গী ট্রাভিস কেলসির সম্পদ প্রায় ১৮-২০ কোটি মার্কিন ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় আনুমানিক ২ হাজার ২০০-২ হাজার ৪৫০ কোটি টাকা)। এতে টেইলরের সম্পদ ট্রাভিসের তুলনায় ২০ গুণ বেশি বলে বিভিন্ন আর্থিক বিশ্লেষণে উল্লেখ করা হয়েছে।
টেইলর সুইফটের সম্পদের উৎস
টেইলরের এই বিপুল সম্পদ প্রধানত এসেছে তাঁর গানের রয়্যালটি, দ্য ইরাস ট্যুর, প্রকাশনা, পণ্য বিক্রি ও রিয়েল এস্টেটে বিনিয়োগ থেকে। ফোর্বসের সর্বশেষ প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, টেইলর সুইফট ও ট্রাভিস কেলসির সম্পদের মধ্যে বিশাল পার্থক্য বিদ্যমান।
ট্রাভিস কেলসির সম্পদ
ট্রাভিসের সম্পদ এসেছে ন্যাশনাল ফুটবল লিগে খেলার চুক্তি, বিজ্ঞাপন, ব্র্যান্ড এন্ডোর্সমেন্ট, ভাই জ্যাসন কেলসির সঙ্গে পরিচালিত ‘নিউ হাইটস’ পডকাস্ট ও বিভিন্ন ব্যবসায়িক বিনিয়োগ থেকে। ইনস্টাগ্রামে টেইলর সুইফটের ভক্তসংখ্যা ২৭ কোটি ৩০ লাখ, ট্রাভিসের ৭৭ লাখ। টেইলরের সঙ্গে প্রেম জনসম্মুখে আসার পর ট্রাভিসের ভক্তসংখ্যা ৩৮-৪০ লাখ বেড়ে যায়।
টেইলর সুইফটের সঙ্গীত ও প্রভাব
টেইলর সুইফটের গানের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো তাঁর জীবনের যত উপলব্ধি, ট্রমা, প্রেম, বিচ্ছেদ, বন্ধুত্ব, বেড়ে ওঠা, আত্মবিশ্বাস ফিরে পাওয়া—এসবই তিনি গান বানিয়ে উদ্যাপন করেছেন। তিনি কান্ট্রি থেকে পপ, পরে অল্টারনেটিভ ও ফোক ঘরানায় মোড় নিয়েছেন। টেইলরের কাছে যেটা মিউজিক ক্যারিয়ার, ‘সুইফটি’দের কাছে তা জীবনকে সহজভাবে নিয়ে খানিকটা ভালো থাকার থেরাপি।



