ইসলামী ব্যাংকে সাত দফা দাবিতে তৃতীয় দিনের অবস্থান কর্মসূচি
ইসলামী ব্যাংকে সাত দফা দাবিতে তৃতীয় দিনের অবস্থান

ইসলামী ব্যাংকের নতুন চেয়ারম্যান খুরশীদ আলমের পদত্যাগসহ সাত দফা দাবিতে তৃতীয় দিনের মতো বুধবার (৩ জুন) রাজধানীর মতিঝিলের দিলকুশায় অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছেন ব্যাংকটির ‘সচেতন গ্রাহক ফোরামের’ সদস্যরা। আন্দোলনকারীরা জানান, ইসলামী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদে সাম্প্রতিক পরিবর্তন এবং নতুন চেয়ারম্যানের নিয়োগ নিয়ে গ্রাহকদের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। তার নিয়োগ বাতিল, ব্যাংকের পরিচালনায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত এবং সাবেক এমডি ওমর ফারুক খানকে পুনর্বহাল করতে হবে। মিছিল নিয়ে বাংলাদেশ প্রেসক্লাব যাওয়া হবে।

সাত দফা দাবি

সাত দফা দাবিগুলো হলো:

  • প্রথম দাবি: ইসলামী ব্যাংকে অবৈধভাবে নিয়োগকৃত চেয়ারম্যান খুরশীদ আলমকে পদত্যাগ করতে হবে।
  • দ্বিতীয় দাবি: ওমর ফারুক খানকে এমডি পদে পুনর্বহাল করতে হবে।
  • তৃতীয় দাবি: লুটপাটের সাথে জড়িত কেউই ইসলামী ব্যাংকের বোর্ডে থাকতে পারবে না।
  • চতুর্থ দাবি: ব্যাংক রেজুলেশন অ্যাক্ট থেকে ১৮ (ক) ধারা বাতিল করতে হবে।
  • পঞ্চম দাবি: এস আলমের দখলকৃত মালিকানা ও দেশে থাকা তার সম্পত্তি বিক্রি করে লুট করা অর্থের সমন্বয় করতে হবে।
  • ষষ্ঠ দাবি: শুধু ইসলামী ব্যাংক নয়, এস আলম যাতে কোনো ব্যাংকেই ফিরতে না পারে সেই ব্যবস্থা করতে হবে।
  • সপ্তম দাবি: ইসলামী ব্যাংকসহ সকল ব্যাংক লুটকারীদের বিচারের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে।

আন্দোলনের ঘোষণা

জানা যায়, খুরশীদ আলম পদত্যাগ না করা পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন সচেতন গ্রাহক ফোরামের সদস্যরা। একইসঙ্গে গ্রাহকদের সঙ্গে একাত্মতা পোষণ করে ব্যাংকের কর্মকর্তাদের আগামীকাল দুই ঘণ্টা কর্মবিরতি পালনের আহ্বান জানিয়েছেন তারা। বিক্ষোভ মিছিলের আগে গ্রাহক ফোরামের সভাপতি নুর নবী মানিক এই মন্তব্য করেন। তিনি দাবি করেন, ইসলামী ব্যাংকে এস আলমের ৮২ শতাংশ শেয়ার বিক্রি করে তার ঋণ সমন্বয় করতে হবে। পাশাপাশি এস আলমকে দেশে ফিরিয়ে এনে বিচার নিশ্চিত করতে হবে এবং পাচার করা অর্থ ফিরিয়ে আনতে হবে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

ফোরামের সভাপতি বলেন, যেদিন খুরশিদ আলম ইসলামী ব্যাংক টাওয়ারে আসবেন, সেদিন গ্রাহক ফোরাম এই টাওয়ারের সামনে উপস্থিত হবে। তাকে কোনোভাবেই ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান হিসেবে মেনে নেওয়া হবে না। এছাড়া ঋণ খেলাপি ও অভিযুক্ত কোনো পরিচালক ইসলামী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদে থাকতে পারবেন না। এরপরেই দিলকুশা থেকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়ে প্রেসক্লাবের দিকে যায়।