বরগুনায় পল্লী বিদ্যুৎ উপকেন্দ্রে বিস্ফোরণ, ৬৭ হাজার গ্রাহক বিদ্যুৎহীন
বরগুনায় উপকেন্দ্রে বিস্ফোরণ, ৬৭ হাজার গ্রাহক বিদ্যুৎহীন

বরগুনা সদর উপজেলার পল্লী বিদ্যুতের একটি উপকেন্দ্রে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় সদর উপজেলায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ আছে। এতে প্রায় ৬৭ হাজার গ্রাহক বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়েছেন।

ঘটনার বিবরণ

গতকাল সোমবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে বরগুনা সদর উপজেলার খাজুরতলা এলাকার গ্রিড সাবস্টেশনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাটি ঘটে। এরপর আজ মঙ্গলবার দুপুর ১২টায় শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত উপজেলার বিদ্যুৎ সরবরাহব্যবস্থা স্বাভাবিক হয়নি।

পটুয়াখালী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির বরগুনা জোনাল কার্যালয় ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, খাজুরতলা গ্রিড সাবস্টেশন থেকে বরগুনা সদর উপজেলায় পল্লী বিদ্যুতের সঞ্চালন ও বিতরণ নিয়ন্ত্রণ করা হয়। গতকাল রাতে হঠাৎ উপকেন্দ্রের ভেতরে বিকট শব্দ হয়। এরপরই ৬ নম্বর ফিডারে আগুন ধরে যায়। আগুন প্রায় এক মিনিটের মধ্যে নিয়ন্ত্রণে এলেও স্টেশনের অন্য ফিডার, বিদ্যুতের তার ও বিভিন্ন যন্ত্রাংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

ক্ষয়ক্ষতি ও গ্রাহকদের ভোগান্তি

এ দুর্ঘটনায় বড় ধরনের কোনো হতাহতের ঘটনা না ঘটলেও বরগুনা সদর উপজেলার ১০টি ইউনিয়নের প্রায় ৬৭ হাজার গ্রাহক বিদ্যুৎ–বিচ্ছিন্ন আছেন। বিদ্যুৎ না থাকায় এলাকার জনজীবন ব্যাহত হচ্ছে।

পটুয়াখালী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির বরগুনা জোনাল কার্যালয়ের উপমহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ নাজমুল হাসান বলেন, ‘রাতে আমরা অফিসেই ছিলাম। হঠাৎ বিকট শব্দের সঙ্গে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখি, ১১ কেভি এসিআর বিস্ফোরিত হয়ে বিদ্যুৎ সঞ্চালন বন্ধ হয়েছে। এ ছাড়া অনেক তার ও যন্ত্রাংশ পুড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।’

মেরামত ও স্বাভাবিক হওয়ার সম্ভাবনা

মেরামতের কাজ শুরু করা হয়েছে জানিয়ে মোহাম্মদ নাজমুল হাসান বলেন, সব যন্ত্রাংশ পরীক্ষা করা হচ্ছে। যে যন্ত্রাংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, সেটি পটুয়াখালী থেকে এনে প্রতিস্থাপন করতে হবে। যত দ্রুত সম্ভব বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে। আজ সন্ধ্যার মধ্যে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার আশা করা হচ্ছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

ঘটনার কারণ

ঘটনার কারণ সম্পর্কে জানতে চাইলে নাজমুল হাসান বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, অভ্যন্তরীণ কারিগরি ত্রুটির কারণে বিস্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। তবে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত নিশ্চিতভাবে কারণ বলা যাচ্ছে না।