ঢাকা ব্যাংক-এসএমই ফাউন্ডেশনের চুক্তি: ক্ষুদ্র উদ্যোক্তারা পাবে স্বল্প সুদে ঋণ
ঢাকা ব্যাংক-এসএমই ফাউন্ডেশনের চুক্তি: ক্ষুদ্র উদ্যোক্তারা পাবে স্বল্প সুদে ঋণ

ঢাকা ব্যাংক ও এসএমই ফাউন্ডেশনের মধ্যে সম্প্রতি একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে, যার আওতায় দেশের কুটির, মাইক্রো, ক্ষুদ্র ও মাঝারি (সিএমএসএমই) উদ্যোক্তারা স্বল্প সুদে অর্থায়ন সুবিধা পাবেন। এই চুক্তির ফলে উদ্যোক্তাদের ব্যবসা সম্প্রসারণ ও উন্নয়নে সহায়তা মিলবে বলে আশা করা হচ্ছে।

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠান

ঢাকার একটি অভিজাত হোটেলে আয়োজিত চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির, শিল্পসচিব আবদুন নাসের খান, এসএমই ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আনোয়ার হোসেন চৌধুরী, ঢাকা ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ কে এম শাহনেওয়াজসহ উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন শিল্পসচিব আবদুন নাসের খান এবং প্রধান অতিথি ছিলেন শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির।

চুক্তির শর্তাবলি

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, চুক্তি অনুযায়ী ঢাকা ব্যাংক দুটি পুনঃ অর্থায়ন স্কিমের আওতায় ঋণ প্রদান করবে। ফুড ভ্যালু চেইন ইমপ্রুভমেন্ট প্রজেক্টের (এফভিসিআইপি) অধীনে নারী উদ্যোক্তাদের অগ্রাধিকার দিয়ে কুটির, মাইক্রো, ক্ষুদ্র ও মাঝারি খাতের উদ্যোক্তারা ৯ শতাংশ সুদে ঋণ পাবেন। অন্যদিকে, ক্রেডিট হোলসেলিং কর্মসূচির আওতায় উৎপাদন ও সেবা খাতের মাইক্রো ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তারা ৮ শতাংশ সুদে চলতি মূলধন, ব্যবসা সম্প্রসারণ এবং মূলধনি সম্পত্তি আমদানির জন্য অর্থায়ন সুবিধা পাবেন।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

উপস্থিত কর্মকর্তারা

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান সচিব মো. মোখতার আহমেদ, বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) কান্ট্রি ডিরেক্টর ম্যাক্স টুনন, ঢাকা ব্যাংকের এমএসএমই ও ইমার্জিং বিজনেস বিভাগের প্রধান মো. মাহবুবুর রহমানসহ উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

প্রত্যাশিত প্রভাব

এই চুক্তির মাধ্যমে দেশের ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তারা সহজ শর্তে ও স্বল্প সুদে ঋণ পাবেন, যা তাদের ব্যবসা সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। বিশেষ করে নারী উদ্যোক্তারা অগ্রাধিকার পাবেন, যা নারী উদ্যোক্তা উন্নয়নে সহায়ক হবে। এটি দেশের অর্থনীতিতে সিএমএসএমই খাতের অবদান বাড়াতে সহায়তা করবে বলে আশা করা যাচ্ছে।