অর্থমন্ত্রীর ঘোষণা: আন্তঃব্যাংক লেনদেনের ফি পরিবর্তনের কোনও পরিকল্পনা নেই
অর্থমন্ত্রী: আন্তঃব্যাংক লেনদেনের ফি পরিবর্তনের পরিকল্পনা নেই

অর্থমন্ত্রীর ঘোষণা: আন্তঃব্যাংক লেনদেনের ফি পরিবর্তনের কোনও পরিকল্পনা নেই

অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী স্পষ্ট জানিয়েছেন, আন্তঃব্যাংক লেনদেনের ফি পরিবর্তনের কোনও পরিকল্পনা আপাতত নেই। তিনি মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে এই তথ্য নিশ্চিত করেন। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই অধিবেশনে অর্থমন্ত্রী দেশের ব্যাংকিং খাতের গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলো তুলে ধরেন।

অনলাইন ব্যাংকিং সেবার বিস্তারিত তথ্য

অর্থমন্ত্রী জানান, বর্তমানে দেশের ৪৬টি ব্যাংক নিজস্ব ওয়েবসাইট বা অ্যাপের মাধ্যমে অনলাইন ব্যাংকিং সেবা প্রদান করছে। তিনি উল্লেখ করেন, ব্যাংকের অভ্যন্তরীণ লেনদেনের ফি স্ব-স্ব ব্যাংকই নির্ধারণ করে থাকে। এই ফিগুলো ‘সিডিউল অব চার্জেস’ হিসেবে উল্লেখ করে প্রতিটি ব্যাংক তাদের ওয়েবসাইটে প্রদর্শন করে থাকে, যা গ্রাহকদের জন্য স্বচ্ছতা নিশ্চিত করে।

আন্তঃব্যাংক লেনদেনের পদ্ধতি ও খরচ

গ্রাহকরা বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক পরিচালিত বিভিন্ন প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে আন্তঃব্যাংক লেনদেন সম্পন্ন করতে পারেন। অর্থমন্ত্রী বিস্তারিতভাবে তিনটি প্রধান পদ্ধতির কথা উল্লেখ করেন:

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
  • বাংলাদেশ অলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার নেটওয়ার্ক (বিইএফটিএন): এই পদ্ধতিতে গ্রাহকরা বিনা খরচে এক ব্যাংক থেকে অন্য ব্যাংকে অর্থ স্থানান্তর করতে পারেন।
  • রিয়েল টাইম গ্রস সেটলমেন্ট (আরটিজিএস): এই সেবা ব্যবহার করে লেনদেন প্রতি সর্বোচ্চ ১০০ টাকা (ভ্যাটসহ) খরচে অর্থ স্থানান্তর করা যায়।
  • ন্যাশনাল পেমেন্ট সুইচ বাংলাদেশ (এনপিএসবি): এই প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে লেনদেন প্রতি সর্বোচ্চ ১০ টাকা (ভ্যাটসহ) খরচে আন্তঃব্যাংক লেনদেন সম্পন্ন করা সম্ভব।

অর্থমন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন, আন্তঃব্যাংক লেনদেনের এই ফি কাঠামো বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক নির্ধারিত হয় এবং এটি পরিবর্তনের কোনও পরিকল্পনা বর্তমানে নেই। তিনি এই সিস্টেমের কার্যকারিতা ও গ্রাহকদের সুবিধার দিকটি তুলে ধরেন, যা দেশের ডিজিটাল অর্থনীতির অগ্রগতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

এই ঘোষণার মাধ্যমে অর্থমন্ত্রী ব্যাংকিং খাতের স্থিতিশীলতা ও স্বচ্ছতা বজায় রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, যা গ্রাহক ও ব্যবসায়ীদের জন্য আশ্বাসজনক বার্তা হিসেবে কাজ করছে।