শৈশবের কঠিন দিনের স্মৃতি
বেলজিয়ামের তারকা স্ট্রাইকার রোমেলু লুকাকু তার শৈশবের কঠিন দিনগুলোর কথা স্মরণ করেছেন, যখন তার পরিবার চরম অভাবের মধ্য দিয়ে দিন কাটাত। একদিন স্কুল থেকে ফিরে নিজের প্রতিদিনের সাধারণ খাবার-বাসি রুটি ও এক গ্লাস দুধ খেতে বসে তিনি লক্ষ্য করেন, তার মা দুধে পানি মিশিয়ে দিয়েছেন, যাতে পরিবারের সবার জন্য তা পর্যাপ্ত হয়। সেদিন কিছু না বলে তিনি বাইরে খেলতে চলে যান।
পরিবারের প্রকৃত অবস্থা বুঝতে শুরু
বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাবা-মায়ের প্রকৃত অবস্থা বুঝতে শুরু করেন লুকাকু। তিনি জানান, তার মা-বাবা প্রায়ই বলতেন তারা খেয়ে নিয়েছেন, কিন্তু বাস্তবে তা ছিল মিথ্যা, কেবল ছেলের জন্য খাবার রাখতেই তারা এই কথা বলতেন। লুকাকুর ভাষায়, তার পরিবার নিঃস্ব অবস্থায় বসবাস করত।
ফুটবলকে আঁকড়ে ধরা
এই কঠিন বাস্তবতার মধ্যেই ফুটবলকে আঁকড়ে ধরেছিলেন লুকাকু। পেশাদার ফুটবলার হয়ে পরিবারকে দারিদ্র্য থেকে মুক্ত করার স্বপ্ন দেখতেন তিনি। শুরুর দিকে কোচ তাকে বেঞ্চে বসিয়ে রাখতে পছন্দ করতেন, কিন্তু নিজের সামর্থ্যে আত্মবিশ্বাসী লুকাকু কোচকে কথা দিয়েছিলেন, সুযোগ পেলে যত গোল চাওয়া হবে, তিনি তা করে দেখাবেন।
প্রতিভার প্রমাণ
সেই মৌসুমে ৩৪ ম্যাচে ৭৬ গোল করে নিজের প্রতিভার প্রমাণ দেন তিনি। লুকাকু বাবাকে বারবার জিজ্ঞেস করতেন, কোন বয়সে পেশাদার ফুটবলে নামতে পারবেন।



