মঙ্গলবার ও বুধবার ভোরে ফিফা বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের দ্বিতীয় রাউন্ডের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। এই ম্যাচগুলোর ফলাফলের ওপর নির্ভর করছে কোন দল নকআউট পর্বে যাওয়ার পথে এগিয়ে থাকবে। বিশেষ করে পর্তুগাল ও ইংল্যান্ডের ওপর সবার নজর থাকবে, কারণ তাদের প্রথম ম্যাচের ফলাফল ছিল ভিন্নধর্মী।
পর্তুগালের চাপ বাড়ছে
পর্তুগাল গ্রুপ কে-তে উদ্বোধনী ম্যাচে ডিআর কঙ্গোর বিপক্ষে ১-১ গোলে ড্র করে হতাশ করেছে। রবার্তো মার্টিনেজের দল জয় দিয়ে শুরু করতে পারেনি। ডিফেন্সে দুর্বলতা এবং আক্রমণে অপ্রতুল পারফরম্যান্সের কারণে ইউরোপীয় জায়ান্টদের ওপর প্রশ্ন উঠেছে।
অধিনায়ক ক্রিস্টিয়ানো রোনাল্ডোর অকার্যকর পারফরম্যান্স নিয়ে আলোচনা চলছে। ৪১ বছর বয়সী এই তারকা ডিআর কঙ্গোর বিপক্ষে পুরো ম্যাচ খেললেও কোনো শট লক্ষ্যে রাখতে পারেননি। তার আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে প্রভাব কমে যাওয়া নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।
উজবেকিস্তানের বিপক্ষে জয়ের বিকল্প নেই
পর্তুগাল এখন খেলবে টুর্নামেন্টে প্রথমবার অংশ নেওয়া উজবেকিস্তানের বিপক্ষে। উজবেকিস্তান তাদের ঐতিহাসিক বিশ্বকাপ অভিষেকে কলম্বিয়ার কাছে ৩-১ গোলে হেরেছে। তবে হারলেও তারা প্রথম গোলটি করে দেখিয়েছে, আব্বোসবেক ফায়জুল্লায়েভ গোলটি করেছিলেন। উজবেকিস্তানের জন্য এই ম্যাচটি জয়ের বিকল্প নেই, কারণ আবার হারলে তাদের অভিযান শেষ হয়ে যাবে।
ইংল্যান্ডের লক্ষ্য নকআউট নিশ্চিত করা
অন্যদিকে ইংল্যান্ড গ্রুপ এল-এ প্রথম ম্যাচে ক্রোয়েশিয়াকে ৪-২ গোলে হারিয়ে দুর্দান্ত শুরু করেছে। বোস্টনে ঘানার বিপক্ষে জিতলেই তারা নকআউট পর্ব নিশ্চিত করতে পারবে। গ্যারেথ সাউথগেটের দল আক্রমণে তীক্ষ্ণ এবং আত্মবিশ্বাসী।
ঘানাও প্রথম ম্যাচে প্যানামাকে ১-০ গোলে হারিয়ে আত্মবিশ্বাসী। কোচ কার্লোস কুইরোজের দল ২০১০ সালের পর প্রথমবার নকআউট পর্বে খেলতে চায়। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ভালো ফল করলে গ্রুপের সমীকরণ জটিল হবে।
ক্রোয়েশিয়ার সামনে কঠিন চ্যালেঞ্জ
ক্রোয়েশিয়া টরন্টোতে প্যানামার মুখোমুখি হবে। ইংল্যান্ডের কাছে ৪ গোল খেয়ে তারা দ্রুত ঘুরে দাঁড়াতে চায়। আরেকটি হার মানে ২০২২ সালের সেমিফাইনালিস্টদের জন্য শকিং বিদায়। অন্যদিকে প্যানামা তাদের প্রথম বিশ্বকাপ পয়েন্টের খোঁজে মাঠে নামবে।



