লিওনেল মেসি ও কিলিয়ান এমবাপ্পে—দুই তারকাই এখন পর্যন্ত ছয়টি করে গোল করেছেন। কিন্তু গোল্ডেন বুটের লড়াইয়ে এগিয়ে আছেন ফরাসি অধিনায়ক এমবাপ্পে। ফিফার নিয়ম অনুযায়ী, সমান গোলের ক্ষেত্রে অ্যাসিস্টের হিসাব নেওয়া হয়, যেখানে এমবাপ্পের দুটি অ্যাসিস্ট থাকলেও মেসির কোনো অ্যাসিস্ট নেই।
এমবাপ্পের ধারাবাহিকতা
গ্রুপ পর্বে সেনেগাল ও ইরাকের বিপক্ষে জোড়া গোল করার পর রাউন্ড অব থার্টি টুতে সুইডেনের বিপক্ষেও আরেকটি জোড়া গোল করেন এমবাপ্পে। এই চার ম্যাচে তার মোট গোল সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ছয়। অন্যদিকে মেসি গ্রুপ পর্বে আলজেরিয়ার বিপক্ষে হ্যাটট্রিক, অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে জোড়া গোল এবং জর্ডানের বিপক্ষে একটি গোল করে ছয় গোল করেছিলেন।
গোল্ডেন বুটের ইতিহাস
এমবাপ্পে যদি টুর্নামেন্ট শেষ পর্যন্ত শীর্ষস্থান ধরে রাখতে পারেন, তবে তিনি হবেন বিশ্বকাপ ইতিহাসে টানা দুই আসরে গোল্ডেন বুট জেতা প্রথম খেলোয়াড়। ২০২২ কাতার বিশ্বকাপে ৮ গোল করে এই পুরস্কার জিতেছিলেন ফরাসি অধিনায়ক।
অন্যান্য দাবিদার
এমবাপ্পে-মেসির পেছনে আছেন আরও কয়েকজন তারকা। চার ম্যাচে ৫ গোল করে তৃতীয় স্থানে নরওয়ের আর্লিং হলান্ড, যাঁর পরের ম্যাচ ব্রাজিলের বিপক্ষে। এমবাপ্পের সতীর্থ উসমান দেম্বেলের আছে ৪ গোল ও ২ অ্যাসিস্ট। আর নরওয়ের বিপক্ষে শেষ ষোলোয় খেলতে যাওয়া ব্রাজিলের হয়ে ভিনিসিয়ুস জুনিয়রেরও আছে ৪ গোল, সঙ্গে ১ অ্যাসিস্ট।
লড়াই এখনো বাকি
মেসির হাতে আছে কেপ ভার্দের বিপক্ষে রাউন্ড অব থার্টি টুর ম্যাচ। অন্যদিকে ফ্রান্স শেষ ষোলোয় উঠে যাওয়ায় এমবাপ্পেও নিশ্চিতভাবেই অন্তত আরও একটি ম্যাচ খেলবেন। ফলে গোল্ডেন বুটের শীর্ষস্থান আরও কয়েকবার হাতবদল হলেও অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না। গোল্ডেন বুট তালিকার শীর্ষ পাঁচ দাবিদারের দলই এখনো টুর্নামেন্টে টিকে আছে, যা এই লড়াইকে আরও তীব্রতর করে তুলবে।



