৭৫ ও ৮৬ মিনিটে হ্যারি কেইনের জোড়া গোলে ডিআর কঙ্গোর বিপক্ষে ২-১ ব্যবধানে জয় পেয়েছে ইংল্যান্ড। এই জয়ে শেষ ষোলোতে পৌঁছেছে গ্যারেথ সাউথগেটের দল। কেইন দ্বিতীয় গোলটির মাধ্যমে বিশ্বকাপে পেলেকে ছাড়িয়ে গেছেন; তার মোট গোল এখন ১৩টি, যা ইংল্যান্ডের হয়ে সর্বোচ্চ।
ম্যাচের প্রথমার্ধ: কঙ্গোর লিড
ম্যাচের শুরু থেকেই ইংল্যান্ড বল দখলে এগিয়ে থাকলেও প্রথম সুযোগটি তৈরি করে কঙ্গো। ২৩ মিনিটে সেড্রিক বাকাম্বুর হেড ক্রসবারে লেগে ফিরে আসে। ৩৮ মিনিটে কঙ্গোই এগিয়ে যায়—ইয়ানিক বোলাসির ক্রসে বক্সের ভেতর থেকে পাউলিনো এমপুটুর শট জালে জড়ায়। প্রথমার্ধে ইংল্যান্ড কোনো শট অন টার্গেট রাখতে পারেনি।
দ্বিতীয়ার্ধে কেইনের উত্থান
দ্বিতীয়ার্ধে ইংল্যান্ড চাপ বাড়ায়। ৭০ মিনিটে বুকায়ো সাকার শট পোস্টে লেগে ফিরে আসে। এরপরই নায়ক হ্যারি কেইন। ৭৫ মিনিটে অ্যান্থনি গর্ডনের ক্রসে দুর্দান্ত টাইমিংয়ে হেড করে গোলরক্ষক লিওনেল এমপাসিকে পরাস্ত করেন। ৮৬ মিনিটে আরেকটি অসাধারণ গোল—গোলের দিকে পিঠ রেখে বল নিয়ন্ত্রণে নিয়ে চার ডিফেন্ডারকে ফাঁকি দিয়ে বাঁ পায়ের জোরালো শটে বল জালে পাঠান। ইংলিশ কিংবদন্তি অ্যালেন শিয়ারার বলেন, ‘দ্বিতীয় গোলটি বিশ্বের খুব কম স্ট্রাইকারই করতে পারেন।’
কেইনের রেকর্ড ও প্রতিক্রিয়া
এই জোড়া গোলের মাধ্যমে বিশ্বকাপে কেইনের গোল সংখ্যা দাঁড়াল ১৩, যা পেলেকে (১২) ছাড়িয়ে গেছে। এবারের আসরে তার গোল ৫টি। সতীর্থ এলিয়ট অ্যান্ডারসন বলেন, ‘অবিশ্বাস্য! ওর সঙ্গে খেলাটা স্পেশাল। বল ওর পায়ে দিয়ে তাকিয়ে থাকতে হয় কী জাদু দেখায়।’
আগামী চ্যালেঞ্জ: মেক্সিকো
শেষ ষোলোতে ইংল্যান্ডের প্রতিপক্ষ স্বাগতিক মেক্সিকো। ঐতিহাসিক আজতেকা স্টেডিয়ামে ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে। ১৯৮৬ বিশ্বকাপে একই মাঠে ম্যারাডোনার ‘হ্যান্ড অব গড’ ও ‘শতাব্দীর সেরা গোল’-এর শিকার হয়েছিল ইংল্যান্ড। কেইন সেই ক্ষত প্রলেপ দিতে পারবেন কি না, সেটাই এখন দেখার।



