এটি বিশ্বকাপের ২০২৬ আসরের শেষ ৩২-এর ম্যাচ। কঙ্গো ডেমোক্রেটিক রিপাবলিকের বিপক্ষে ২-১ গোলের কঠিন জয় পেয়েছে ইংল্যান্ড। ম্যাচের নায়ক অবিসংবাদিতভাবে হ্যারি কেইন। দুই গোল করে দলকে বিপদ থেকে উদ্ধার করে এনেছেন এই বায়ার্ন মিউনিখ স্ট্রাইকার।
দ্বিতীয় গোল নিয়ে কেইনের অনুভূতি
ম্যাচ শেষে কেইন বলেছেন, “কী অসাধারণ ম্যাচ! এইভাবে ফিরে আসা সত্যিই আনন্দের। গ্রুপ নিয়ে আমি গর্বিত। কঠিন ম্যাচ ছিল, ব্যক্তিগতভাবে ইংল্যান্ডের জার্সিতে এটি আমার অন্যতম প্রিয় ম্যাচ। দুই গোল করে দলকে জিতিয়ে দেওয়া সত্যিই জাদুকরী অনুভূতি।”
তিনি আরও বলেন, “আমি নিজের সেরা সংস্করণ হওয়ার চেষ্টা করি। নেতৃত্ব দিয়ে উদাহরণ তৈরি করা আমার অন্যতম বৈশিষ্ট্য। এটি আমার জীবনের মূলমন্ত্র।”
সতীর্থ গর্ডনের প্রতিক্রিয়া
দুই গোলেরই অ্যাসিস্ট করা অ্যান্থনি গর্ডন বলেন, “সে যখন দ্বিতীয় গোলটি করল, আমি বুঝতে পারলাম এটি জালে যাবে। আমি তখনই উদযাপন শুরু করে দিয়েছিলাম।” কেইনের প্রশংসায় গর্ডন আরও বলেন, “এই স্তরে যে কেউ ভালো গোল করতে পারে, কিন্তু কেইনকে আলাদা করে তার ধারাবাহিকতা। প্রতিদিন ট্রেনিংয়ে, প্রতিটি ম্যাচে সে অসাধারণ। সে কখনোই ছন্দ হারায় না। তার সঙ্গে থাকাটা দারুণ। সে আমাদের সবার জন্য অনুপ্রেরণা।”
কোচ টুখেলের ‘শার্ক’ মন্তব্য
ইংল্যান্ড কোচ টমাস টুখেল তার নয় নম্বরের প্রশংসায় পঞ্চমুখ। তিনি বলেন, “হ্যারি আমাদের অধিনায়ক, আমাদের নেতা। সে অবিশ্বাস্য ফিনিশিং দিয়ে ম্যাচের ভাগ্য বদলে দেয়। দ্বিতীয় গোলটি ছিল অসাধারণ।”
কেইন, কিলিয়ান এমবাপে, আর্লিং হালান্ড, লিওনেল মেসিদের মতো সুপারস্টার স্ট্রাইকারদের প্রসঙ্গে টুখেল বলেন, “তারা সবাই হাঙর। রক্তের গন্ধ পেলেই তারা এসে গোল করে।”
রাইসের অভিমত
মিডফিল্ডার ডিক্লান রাইস কেইনের প্রশংসায় বলেন, “সে শুধু অসাধারণ। এই মৌসুমে তার ৭২ গোল হয়েছে, যা স্বাভাবিক নয়। সে সত্যিকারের নেতা। প্রতিদিন ট্রেনিং করে, সবার সঙ্গে মিশে। দ্বিতীয় গোলটি সে রিভার্স হুইপে টপ কর্নারে জালে জড়িয়েছে। কী যে প্লেয়ার! আমরা তাকে পেয়ে ভাগ্যবান।”
পরবর্তী চ্যালেঞ্জ: মেক্সিকো
আটলান্টায় নাটকীয় জয়ের পর ইংল্যান্ডকে এখন মেক্সিকো সিটিতে যেতে হবে সহ-আয়োজক এল ট্রির মুখোমুখি হতে। কেইন বলেন, “কখনো কখনো বড় দলগুলো এই মুহূর্তগুলো হাতছাড়া করে দেয়। কিন্তু নকআউট ফুটবলে যে কেউ জিততে পারে, তাই উপভোগ করাটা জরুরি। মেক্সিকোতে মেক্সিকোর বিপক্ষে খেলা অসাধারণ। এটি আরও কঠিন হবে।”



