আবাহনী লিমিটেডের জন্য এখন রাজ্যের হতাশা। ২০১৮-২০১৯ মৌসুমের পর ফেডারেশন কাপের গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিতে হয়েছে তাদের। পেশাদার লিগে তলানিতে থাকা পিডব্লিউডি তাদের হারিয়ে সর্বনাশ ডেকে এনেছে। অথচ ম্যাচটি জিততে পারলেই সুপার ফোর নিশ্চিত ছিল। আকাশি-নীল জার্সিধারীদের সর্বনাশ ঘটিয়েছেন মিডফিল্ডার মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ। তার দেওয়া একমাত্র গোলে কপাল পুড়েছে মারুফুল হকের দলের। যদিও আবাহনীকে বিদায় করেও শেষ রক্ষা করতে পারেনি পিডব্লিউডি। গোল গড়ে পিছিয়ে তারাও গ্রুপ পর্ব থেকে ছিটকে গেছে! তবে ম্যাচে আলো ছড়ানো আব্দুল্লাহ নিজের নৈপুণ্যে ভীষণ উচ্ছ্বসিত। পাশাপাশি আছে আক্ষেপও!
জাতীয় দলে ডাকের অপেক্ষায় আব্দুল্লাহ
২০১৬ সালে জাতীয় দলে অভিষেক হওয়ার পর থেকে আব্দুল্লাহ এখন পর্যন্ত ১৫/১৬টি ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন। ২০২২ সালে চোটের পর দীর্ঘদিন লাল-সবুজ দলের বাইরে ছিলেন। বিশ্বকাপ বাছাইয়ে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দলে থাকলেও মূল স্কোয়াডে ফিরতে পারেননি। এবার ঘরোয়া ফুটবলে তিনটি ম্যাচ একাদশে থেকে খেললেও বাকিগুলোতে নেমেছেন বদলি হয়ে। এভাবে গোলও পাচ্ছেন। তাই আব্দুল্লাহ বাংলা ট্রিবিউনকে আক্ষেপ করে বলেছেন, ‘আমি হলাম ক্রিকেট দলের ইমরুল কায়েস ভাইয়ের মতো, দরকার হলেই জাতীয় দলে ডাক পড়ে। আমিও আবার অপেক্ষায় আছি কখন ডাক পড়বে। গত মৌসুমে বসুন্ধরা কিংসের বিপক্ষে তিনটি গোল ছিল আমার। মনে করেছিলাম হয়তো ডাক পাবো। দেখলাম যারা গোল করতে পারেনি, তারাই ডাক পেয়েছেন। তাই হতাশা কাজ করে।’
আবাহনীর বিপক্ষে গোল ও দলের ভাগ্য
আবাহনীর বিপক্ষে করা গোল নিয়ে ২৭ বছর বয়সী ফুটবলারের কথা, ‘আমাদের লক্ষ্য ছিল ম্যাচটি জিততে হবে। তবে জিতেও কাজ হয়নি। গোল গড়ে পিছিয়ে থেকে বিদায় নিতে হয়েছে। তারপরও বড় দলের বিপক্ষে জয়টা আমাদের জন্য অনেক কিছু।’ ঘরোয়া ফুটবলে নিয়মিত একাদশে জায়গা না পাওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে আব্দুল্লাহ বলেছেন, ‘এটা কোচ ভালো বলতে পারবেন। হয়তো তার কৌশলের সঙ্গে মিলে কম। এছাড়া আমাকে মধ্যমাঠের ওপরে যেখানে দিক না কেন, খেলতে সমস্যা হয় না। মাঝে মধ্যে ফিনিশিং ভালো থাকায় গোলও পাই। এখন সামনের দিকে আরও ভালো খেলে আবারও জাতীয় দলে ফিরতে চাই। আগে নিজ দলকে ভালো জায়গায় নিয়ে যাওয়াটাই লক্ষ্য।’



