আগামী বছর ইংল্যান্ডে খেলতে যেতে পারে বাংলাদেশ। ২০১০ সালের জুনে ইংল্যান্ডের মাটিতে সর্বশেষ টেস্ট খেলেছিল বাংলাদেশ দল। ১৭ বছর পর আগামী বছর আবারও আসতে পারে সেই সুযোগ। ইংল্যান্ডের সংবাদমাধ্যমের খবর, ২০২৭ সালের মে মাসের শেষ দিকে ইংল্যান্ডে বাংলাদেশের বিপক্ষে একটি টেস্ট খেলবে ইংল্যান্ড দল।
অ্যাশেজের আগে প্রস্তুতি হিসেবে টেস্ট
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান জানিয়েছে, ২০২৭ সালের অ্যাশেজের ঠিক আগে মে মাসের শেষ দিকে বাংলাদেশ–ইংল্যান্ড একমাত্র টেস্টটি হতে পারে। একই খবর দিয়ে দ্য টেলিগ্রাফ বলেছে, মূলত অ্যাশেজের আগে নিজেদের প্রস্তুতির জন্যই ইংল্যান্ড বাংলাদেশ দলকে টেস্টটি খেলার আমন্ত্রণ জানিয়েছে। আগের অ্যাশেজে ইংল্যান্ডের প্রস্তুতি নিয়ে প্রশ্ন ওঠায় এবার আর কোনো ঘাটতি রাখতে চায় না তারা।
ভেন্যু এখনো চূড়ান্ত হয়নি
টেস্টের ভেন্যু এখনো ঠিক হয়নি। এর পরের মাসেই টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল আয়োজন করবে ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড (ইসিবি)। সেটি বিবেচনায় রেখেই ঠিক হবে বাংলাদেশ টেস্টের ভেন্যু। ২০৩১ সাল পর্যন্ত পরের তিনটি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ ফাইনালের আয়োজক ইংল্যান্ড। আইসিসির সঙ্গে চুক্তি অনুযায়ী, ফাইনালগুলো হওয়ার কথা লর্ডসে। তবে সর্বশেষ নিউজিল্যান্ড–ইংল্যান্ড টেস্টে লর্ডসের পিচ নিয়ে প্রশ্ন ওঠার পর আগামী টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ ফাইনালের ভেন্যু বদলানোর আলোচনাও আছে।
ওদিকে মেরিলিবোন ক্রিকেট ক্লাবের (এমসিসি) সঙ্গে ইসিবির চুক্তি আছে বছরে অন্তত দুটি টেস্ট লর্ডসে আয়োজন করতে হবে। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল শেষ পর্যন্ত লর্ডসে না হলে তাই বাংলাদেশের বিপক্ষে একমাত্র টেস্ট ম্যাচটি সেখানে হওয়ার সম্ভাবনা আছে।
বিসিবি আলোচনা চলমান, চূড়ান্ত নয়
সম্ভাব্য টেস্ট ম্যাচটি নিয়ে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ইসিবির কাউকে উদ্ধৃত করেনি। তবে যোগাযোগ করা হলে বিসিবির দায়িত্বশীল একটি সূত্র ইসিবির সঙ্গে তাঁদের এ রকম একটি আলোচনা চলমান আছে বলে প্রথম আলোকে নিশ্চিত করেছে। তবে এ ব্যাপারে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি বলেও জানিয়েছে সে সূত্র। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যমে খবরটি যেভাবে এসেছে, বিষয়টি নাকি এখনো সে পর্যায়ে যায়নি।
নতুন ফিউচার ট্যুর প্রোগ্রামের অংশ
২০২৭ সালের মার্চে আইসিসির বর্তমান ফিউচার ট্যুর প্রোগ্রাম (এফটিপি) শেষ হবে। আগামী বছর ফেব্রুয়ারিতে ঢাকা ও চট্টগ্রামে বাংলাদেশ–ইংল্যান্ডের দুটি টেস্ট হওয়ার কথা রয়েছে। তার আগে এ বছরই ২০২৭ থেকে ২০৩১ সাল পর্যন্ত নতুন এফটিপি করবে আইসিসি। বাংলাদেশ দল ইংল্যান্ডে টেস্ট খেলতে গেলে সেটি ওই চক্রের অংশ হতে পারে।



