বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) আহ্বায়ক কমিটির প্রধান তামিম ইকবাল পদত্যাগ করতে যাচ্ছেন—গত ৪৮ ঘণ্টায় এই খবর ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়লেও তার ঘনিষ্ঠ সূত্রগুলো এটিকে সম্পূর্ণ গুজব ও প্রোপাগান্ডা বলে নিশ্চিত করেছে। তামিম ইকবালের কাছের একাধিক সূত্র জানিয়েছে, তিনি কোথাও পদত্যাগের কথা বলেননি। ঘোষণা দেওয়ার প্রশ্নই আসে না।
গুজবের উৎস ও বাস্তবতা
সূত্রগুলো আরও জোরালোভাবে দাবি করেছে, তামিম কোনোভাবেই বিসিবি প্রধানের পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিতে পারেন না। এ বিষয়ে তামিম ইকবালের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করা হলে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। ক্রিকেটপাড়ায় একটি ধারণা ছড়িয়ে পড়েছিল যে বিসিবির আহ্বায়ক কমিটিতে থেকে পরিচালনা পর্ষদের নির্বাচনে অংশ নেওয়া যাবে না, তাই আগেই পদত্যাগ করতে হবে। কিন্তু এনএসসি ও বিসিবির উচ্চপর্যায়ের সূত্র নিশ্চিত করেছে, বিসিবির গঠনতন্ত্র এবং জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের গঠনতন্ত্রের কোথাও এমন কোনো বিধান নেই। আহ্বায়ক কমিটিতে থেকেই নির্বাচন করা সম্ভব, পদত্যাগের কোনো বাধ্যবাধকতা নেই।
গুজব ছড়ানোর কারণ
খবরটি কেন এভাবে ছড়াল তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। একটি পক্ষ বোঝানোর চেষ্টা করছিল যে তামিম নির্বাচনের আগেই বিসিবি সভাপতির পদ ছাড়তে চাইছেন, এমনকি নির্বাচনও নাও করতে পারেন। তবে এসব দাবির কোনো ভিত্তি নেই। উল্লেখ্য, তামিম ইকবাল নিজেই জানিয়েছিলেন জুনের প্রথম বা দ্বিতীয় সপ্তাহে বিসিবি নির্বাচন করার পরিকল্পনা রয়েছে। বাংলাদেশের মানুষের আবেগের বড় জায়গা ক্রিকেট হওয়ায় এ সংক্রান্ত যেকোনো খবর দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং অনেক সময় তা যাচাই-বাছাই ছাড়াই হইচই ফেলে দেয়। তামিম ইকবালের পদত্যাগের এই খবরটি সেই প্রবণতারই একটি নজির বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।



