বাবার সঙ্গে সমাবর্তনের স্মৃতি: ডাক্তার মেয়ের আবেগঘন গল্প
বাবার সঙ্গে সমাবর্তনের স্মৃতি: এক ডাক্তার কন্যার গল্প

বাবার সঙ্গে সমাবর্তনের স্মৃতি নিয়ে লিখেছেন সিনিয়র মেডিকেল অফিসার ডা. ফারজানা ইয়াসমিন। তিনি পাইওনিয়ার ডেন্টাল কলেজ ও হাসপাতাল, ঢাকায় কর্মরত। তার লেখায় ফুটে উঠেছে বাবার প্রতি অগাধ ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা।

বাবা মানে শীতল ছায়া ও বটবৃক্ষ

ডা. ফারজানা লিখেছেন, 'বাবা মানে প্রখর রোদে শীতল ছায়া। পৃথিবীতে যে মানুষটি আমাকে বটবৃক্ষের মতো আগলে রেখেছেন, তিনি বাবা। ছোট থেকে একটি মেয়ে তার বাবাকে দেখেই বড় হয়। বাবাই মেয়ের আর্দশ। বাবার কাছে যেকোনো আবদার অনায়াসেই করা যায়।'

তিনি আরও উল্লেখ করেন, 'বাবা আমার কোনো কিছুতে কখনো নিষেধ করেননি এবং কোনো ইচ্ছা তিনি অপূর্ণ রাখেননি। যত কষ্টই হোক, যখন যেটা চেয়েছি, তিনি হাসিমুখে সেটা হাজির করেছেন।'

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

দুই সন্তানের মা হয়েও বাবার কাছে ছোট মেয়ে

ডা. ফারজানা বর্তমানে দুই সন্তানের মা। কিন্তু বাবার কাছে তিনি এখনও সেই ছোট্ট মেয়েটিই। তিনি লেখেন, 'এখনো বাবার বাড়িতে গেলে আমি যা খেতে পছন্দ করি, বাবা আগে থেকেই সেটা নিয়ে আসেন এবং ফেরার সময়ও আমার পছন্দের খাবার সঙ্গে দিয়ে দেন। মনে হয়, যেন বাবার কাছে আমি সেই ছোট্ট মেয়েটিই আছি।'

তিনি মনে করেন, পৃথিবীর সব মেয়েরাই তার বাবার কাছে আদরের রাজকন্যা।

ডাক্তার হওয়ার পেছনে বাবার অবদান

ডা. ফারজানা জানান, তার বাবা একজন সৎ, বিনয়ী, নিরহংকার এবং অত্যন্ত পরিশ্রমী মানুষ। বাবার ইচ্ছা ছিল তিনি ডাক্তার হবেন। তার ডাক্তার হওয়ার পেছনে বাবার অবদান অপরিসীম। তিনি লেখেন, 'এই ঋণ শোধ করা যাবে না। মহান সৃষ্টিকর্তার ইচ্ছায় ডাক্তার হয়েছি এবং সফলতার সঙ্গে পোস্ট গ্র্যাজুয়েশন সম্পন্ন করেছি।'

সমাবর্তন অনুষ্ঠানের দিনটি ছিল তার জন্য আবেগঘন। তিনি বলেন, 'যেদিন আমার সমাবর্তন অনুষ্ঠান হয়, সেদিন বাবাকে জড়িয়ে ধরে কান্না করেছিলাম।'

বাবার মূল্যবান উপদেশ

ডা. ফারজানা বাবার সবচেয়ে মূল্যবান উপদেশটি তুলে ধরেছেন: 'জীবনে চলার পথে অনেক বাধা আসবে, কিন্তু কখনো হার মানা যাবে না, এগিয়ে যেতে হবে দুর্বার গতিতে।'

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

শেষে তিনি পৃথিবীর সব বাবার সুস্থতা ও মঙ্গল কামনা করেন।