নারীর অধিকার ও নেতৃত্বের সুযোগ আরও বাড়ানোর তাগিদ ড. মঈন খানের
নারীর অধিকার ও নেতৃত্বের সুযোগ আরও বাড়ানোর তাগিদ

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. মঈন খান বলেছেন, দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও উৎপাদনশীল খাতগুলোতে নারীদের অংশগ্রহণ দিন দিন বৃদ্ধি পেলেও তাদের অধিকার ও নেতৃত্বের সুযোগ আরও সম্প্রসারণের প্রয়োজন রয়েছে। সোমবার (৮ জুন) রাজধানীর রেডিসন ব্লু ওয়াটার গার্ডেন হোটেলে অনুষ্ঠিত ‘উইমেন ইন লিডারশিপ অ্যান্ড গভর্ন্যান্স কনফারেন্স ২০২৬’ সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

অর্থনীতিতে নারীদের অবদান

ড. মঈন খান বলেন, বাংলাদেশের অর্থনীতিকে এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে তৃণমূল পর্যায়ের নারীরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। বিশেষ করে, তৈরি পোশাক শিল্পে কর্মরত লাখো নারী দেশের রপ্তানি আয় ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে উল্লেখযোগ্য অবদান রেখে চলেছেন। তিনি বলেন, প্রায় ৪০ লাখ নারী গার্মেন্টস খাতে কাজ করছেন, যা দেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান ভিত্তি হিসেবে কাজ করছে। তবে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে এত বড় অবদান থাকা সত্ত্বেও নারীরা এখনো বিভিন্ন ক্ষেত্রে কাঙ্ক্ষিত অধিকার ও সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন বলে মন্তব্য করেন তিনি।

সম্মেলনের আয়োজন ও অংশগ্রহণ

সম্মেলনটি ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস অব বাংলাদেশের (আইসিএবি) জেন্ডার ইনক্লুশন অ্যান্ড লিডারশিপ কমিটি (জিআইএলসি)-এর উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয়। সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা রাশেদা কে. চৌধুরী এবং সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার জহরত আদিব চৌধুরী।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

সম্মেলনে পেশাজীবী নারীদের পাশাপাশি নীতি নির্ধারক, করপোরেট নেতৃত্ব, পর্বতারোহী, নিয়ন্ত্রক সংস্থার প্রতিনিধি, উন্নয়ন সহযোগী এবং দেশের শীর্ষস্থানীয় পেশাজীবী সংগঠনসমূহের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

অন্তর্ভুক্তিমূলক নেতৃত্বের প্রয়োজনীয়তা

এ সম্মেলনে অংশগ্রহণকারী বক্তারা বলেন, একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ ও কার্যকর নেতৃত্ব গড়ে তুলতে নারী-পুরুষের অংশীদারিত্বভিত্তিক সহযোগিতা অপরিহার্য। বক্তাদের মতে- কর্মক্ষেত্র, প্রশাসন ও নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে নারীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা গেলে দেশের উন্নয়ন প্রক্রিয়া আরও গতিশীল হবে। একই সঙ্গে নেতৃত্বের বিভিন্ন স্তরে নারীদের সুযোগ বৃদ্ধি সামাজিক ও অর্থনৈতিক অগ্রগতিকে আরও টেকসই করে তুলতে পারে।

স্পন্সর ও অংশীদার

সম্মেলনের টাইটেল স্পন্সর ছিল ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক পিএলসি। কৌশলগত অংশীদার হিসেবে ছিল এসিসিএ, আইসিএমএবি, আইসিএসবি এবং আইআইএবি। কারিগরি সহায়তা অংশীদার হিসেবে ছিল বিশ্বব্যাংকের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান আইএফসি।