হাসন রাজার গানে মরমি সুরের সন্ধ্যা সাজালেন শিল্পীরা
হাসন রাজার গানে মরমি সুরের সন্ধ্যা সাজালেন শিল্পীরা

স্কয়ার টয়লেট্রিজের আয়োজনে ‘হাসন রাজার গান’ শীর্ষক এক বিশেষ সাংস্কৃতিক সন্ধ্যায় মরমি সুরের জাদুতে মাতেন শিল্পী ও দর্শকরা। অনুষ্ঠানের শুরুতে আমন্ত্রিত অতিথিদের উদ্দেশে স্বাগত বক্তব্য দেন এমডব্লিউ ম্যাগাজিন বাংলাদেশের সম্পাদক ও প্রকাশক রুমানা চৌধুরী।

লোকসংগীতের ভিত্তি ও অঙ্গীকার

লোকসংগীত দেশের সাংস্কৃতিক পরিচয়ের অন্যতম ভিত্তি। এর চর্চা ও প্রসারে স্কয়ার টয়লেট্রিজের দীর্ঘদিনের অঙ্গীকারের কথা জানান প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মালিক মোহাম্মদ সাঈদ।

ভিন্ন আঙ্গিকে হাসন রাজা

সংগীত পরিচালক শায়ান চৌধুরী অর্ণব শ্রোতাদের জানান হাসন রাজার গানগুলো কিছুটা ভিন্ন আঙ্গিকে পরিবেশনের কথা। জনপ্রিয় গানের পাশাপাশি কিছু অপ্রচলিত কথা ও সুরের গানও ছিল এ আয়োজনে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

‘হাসন রাজা কয় আমি কিছু নই রে’—মাখন মিয়ার কণ্ঠে এ গানের মধ্য দিয়ে শুরু হয় মূল সংগীতানুষ্ঠান। প্রেম ও মরমি ভাবধারার গান পরিবেশন করে দর্শকদের মুগ্ধ করেন শিল্পী কানিজ খন্দকার মিতু।

বগা তালেবের কণ্ঠে ‘থাকতে চাই ঠাকুরের কাছে’ ও ‘মাটির পিঞ্জিরার মাঝে বন্দী হইয়ারে’ গান দুটি এক আধ্যাত্মিক আবহ তৈরি করে। হাসন রাজার সুর ও বাণীর মায়াজাল শ্রোতাদের নিয়ে যায় এক ভিন্ন ভাবাবেগের জগতে।

হাসন রাজার দর্শনের নতুন দিক

হাসন রাজার দর্শনের অন্য এক দিক তুলে ধরেন হামিদা বানু। তাঁর কণ্ঠে উঠে আসে রাজার অপ্রচলিত দুটি গান। হাতে গিটার নিয়ে মঞ্চে ‘বাউলা কে বানাইলো রে’ গেয়ে দর্শকদের মাতিয়ে তোলেন শায়ান চৌধুরী অর্ণব।

দর্শকসারিতে দেখা যায় শোবিজ–জগতের পরিচিত মুখ ও তারকাদের। ‘নেশা লাগিল রে’ ও ‘আগুন লাগাইয়া দিল মনে’ গানে প্রেমের চিরচেনা আবেগ ছড়িয়ে দেন অনিমেষ রায়। সব শিল্পীর সম্মিলিত কণ্ঠে ‘ছাড়িলাম হাসনের নাও রে’ গানের মাধ্যমে শেষ হয় মরমি সুরের এই বিশেষ সন্ধ্যা।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ