প্রথম আলোয় প্রকাশিত কবিতা 'খাঁচায় সূর্যাস্তের স্বীকৃতি' পাঠকদের মন ছুঁয়ে গেছে। কবিতায় মেঘেদের বক্ষদেশে মরণোত্তর পিতামহের উপস্থিতি ও অভূতপূর্ব অভিবাদনে জল আর সেতার এক প্রগাঢ় ট্যাপেস্ট্রি তৈরি করেছে। স্বর্গতুল্য শূন্যতায় অধিষ্ঠিত অধিপতিরা এবং বিষাদগ্রস্ত উপপত্নীরা অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার পোশাক পরে গ্রহণের কক্ষে অস্বস্তি আর নিরুত্তাপ পানীয়ে ডুবে আছে।
প্রেরিত পিতাদের অভিষেক ও যুদ্ধের চিহ্ন
প্রেরিত পিতারা অভিষিক্ত হতে বলেছিলেন, কিন্তু উৎকৃষ্ট হৃৎপিণ্ড স্কোয়াডে ফেলে যুদ্ধ চলে গেছে। উপসাগরীয় প্রজাপতি হয়েছে শিশুরা, যারা দেবানুগৃহীত ছিল না। আলোকোজ্জ্বল দেবদূতেরা ঘুমের মধ্যে কুস্তি লড়ে, করমর্দনের ক্রূর হাসিতে মুদ্রাঙ্কিত জানোয়ার। শিশুহত্যার সরঞ্জাম রেখে সহযোদ্ধারা মরে গেছে, আর অপ্রতিরোধ্য শোকে লাশের শকট দাঁড়িয়ে আছে।
অভ্যর্থনার প্রহরে বৈশাখ ও মঙ্গলের গমন
অভ্যর্থনার প্রহরে অকম্প বৈশাখ এসেছে, কিন্তু চিহ্ন মুছে ফেলার নির্দেশে মঙ্গল চলে গেছে। কবিতাটি প্রথম আলোর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করার আহ্বান জানিয়েছে। 'কবিতা-অন্য আলো' বিভাগে আরও পড়ার সুযোগ রয়েছে, যা সাহিত্যপ্রেমীদের জন্য বিশেষ আকর্ষণীয়।



