লেবাননের বিভিন্ন এলাকায় ইসরায়েলি বিমান হামলায় অন্তত ২৭ জন নিহত ও ১০০ জনের বেশি আহত হয়েছেন। শনিবার (২১ সেপ্টেম্বর) এসব হামলা চালানো হয় বলে জানিয়েছে লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।
হামলার ঘটনা
লেবাননের দক্ষিণাঞ্চল ও বেকা উপত্যকায় এসব হামলা চালানো হয়। হামলায় হিজবুল্লাহর এক জ্যেষ্ঠ কমান্ডার নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে ইসরায়েল। তবে হিজবুল্লাহ তাৎক্ষণিকভাবে এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি।
লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, হামলায় নিহতদের মধ্যে নারী ও শিশুও রয়েছে। আহতদের মধ্যে অনেকে গুরুতর অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া
জাতিসংঘ এ হামলার নিন্দা জানিয়ে অবিলম্বে যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানিয়েছে। জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনের মুখপাত্র এক বিবৃতিতে বলেন, ‘এ ধরনের হামলা আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন। আমরা সব পক্ষকে সংযম দেখানোর আহ্বান জানাচ্ছি।’
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রও এ হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। হোয়াইট হাউসের এক বিবৃতিতে বলা হয়, ‘ইসরায়েলের আত্মরক্ষার অধিকার রয়েছে, তবে বেসামরিক লোকদের রক্ষা করতে হবে।’
ইসরায়েলের বক্তব্য
ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) জানিয়েছে, তারা হিজবুল্লাহর সামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে। আইডিএফের এক বিবৃতিতে বলা হয়, ‘আমরা হিজবুল্লাহর সন্ত্রাসী অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছি। এ হামলায় তাদের এক জ্যেষ্ঠ কমান্ডার নিহত হয়েছে।’
ইসরায়েল আরও জানিয়েছে, তারা লেবাননের ভূখণ্ড থেকে ইসরায়েলের দিকে ছোড়া রকেট হামলার জবাবে এ হামলা চালিয়েছে।
হিজবুল্লাহর অবস্থান
হিজবুল্লাহ এখন পর্যন্ত এ হামলার বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো বিবৃতি দেয়নি। তবে সংগঠনটির টেলিভিশন চ্যানেল আল-মানার জানিয়েছে, তারা ইসরায়েলি হামলার জবাবে ইসরায়েলের উত্তরাঞ্চলে রকেট হামলা চালিয়েছে।
লেবাননের প্রধানমন্ত্রী নাজিব মিকাতি এ হামলার নিন্দা জানিয়ে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।



