ইসলামাবাদে আলোচনা ব্যর্থ হলে ফের বোমা হামলার ইঙ্গিত ট্রাম্পের
ইসলামাবাদ আলোচনা ব্যর্থ হলে বোমা হামলার ইঙ্গিত ট্রাম্পের

ইসলামাবাদে আলোচনা ব্যর্থ হলে ফের বোমা হামলার ইঙ্গিত ট্রাম্পের

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প স্পষ্ট ইঙ্গিত দিয়েছেন যে ইসলামাবাদে ইরানের সঙ্গে আসন্ন আলোচনায় অগ্রগতি না হলে ফের বোমা হামলা শুরু করার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে তিনি আলোচনায় অগ্রগতি হলেও যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়াতে অনিচ্ছা প্রকাশ করেছেন, যা আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে নতুন উত্তেজনার সৃষ্টি করেছে।

সিএনবিসি অনুষ্ঠানে ট্রাম্পের হুমকি

যুক্তরাষ্ট্রের সময় মঙ্গলবার সকালে সিএনবিসির স্কোয়াক বক্স অনুষ্ঠানে ট্রাম্পকে সরাসরি প্রশ্ন করা হয়েছিল, ইসলামাবাদে আসন্ন আলোচনায় যদি অগ্রগতি না হয়, তবে তিনি আবারও হামলা শুরু করবেন কি না। জবাবে ট্রাম্প বলেন, ‘আমি বোমাবর্ষণের প্রত্যাশাই করছি, কারণ আমার মনে হয় আলোচনার ক্ষেত্রে এটি একটি ভালো মনোভাব।’ তিনি আরও যোগ করেন, ‘আমরা প্রস্তুত। বলতে গেলে, আমাদের সামরিক বাহিনীও প্রস্তুত হয়ে আছে।’ এই মন্তব্যগুলো ইরানের ওপর চাপ বাড়ানোর জন্য যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর অবস্থানকে তুলে ধরেছে।

যুদ্ধবিরতি বাড়াতে অনিচ্ছা

আসন্ন আলোচনায় যদি অগ্রগতি হয়, তবে যুদ্ধবিরতি অব্যাহত রাখবেন কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প স্পষ্ট করে বলেন, ‘আমি তা করতে চাই না। আমাদের হাতে অত সময় নেই।’ তিনি উল্লেখ করেছেন যে ইরানের সামনে ‘একটি পছন্দ’ ছিল এবং ‘তাদের আলোচনা করতেই হবে।’ এই অবস্থান ইঙ্গিত দিচ্ছে যে যুক্তরাষ্ট্র দ্রুত সমাধান চাইছে এবং আলোচনা প্রক্রিয়ায় দীর্ঘসূত্রিতা সহ্য করতে প্রস্তুত নয়।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

যুদ্ধবিরতির মেয়াদ নিয়ে অস্পষ্টতা

যুদ্ধবিরতির মেয়াদ কবে শেষ হবে, তা নিয়ে এখনও অস্পষ্টতা রয়ে গেছে। দুই সপ্তাহ আগে যখন এই যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল, তখন বলা হয়েছিল মঙ্গলবার রাতে তা শেষ হবে। কিন্তু ব্লুমবার্গ নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প জানিয়েছেন, বুধবার রাতে এই যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ হবে। এই অস্পষ্টতা আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে, কারণ এটি ভবিষ্যৎ কূটনৈতিক পদক্ষেপের অনিশ্চয়তা বাড়াচ্ছে।

সামগ্রিকভাবে, ট্রাম্পের এই বক্তব্য ইরানের সঙ্গে চলমান উত্তেজনাকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে এবং ইসলামাবাদে আসন্ন আলোচনাকে ঘিরে বিশ্বজুড়ে নজর রাখা হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক প্রস্তুতি এবং কূটনৈতিক চাপের কৌশল কী ফল বয়ে আনে, তা সময়ই বলে দেবে।