শীতকালে যেদিন বাতাস থাকে, সেদিন তাপমাত্রা একই থাকলেও হাড় কাঁপানো ঠান্ডা লাগে। কারণ, স্থির বাতাস আর প্রবহমান বাতাসের মধ্যে আকাশ-পাতাল তফাত। বাতাসে নড়াচড়া না থাকলে শরীরের উষ্ণতা চারপাশের বাতাসকে কিছুটা গরম রাখে, গায়ে শীত কম লাগে। কিন্তু বাতাস বইলেই বিপদ। বাতাসের ঝাপটা শরীরের উষ্ণতা কেড়ে নিয়ে উড়ে যায়। এভাবে প্রতি মুহূর্তে আপনার শরীর তাপ হারাতে থাকে। শরীরে শীত সুই ফোটায়।
বাতাসের প্রভাব কেন বেশি?
শীতকালে বাইরে বেরোনোর আগে শুধু তাপমাত্রা জানাই যথেষ্ট নয়, বাতাসের উৎপাত থাকবে কি না সেটাও দেখতে হয়। না হলে রাস্তায় বেরিয়ে আপনি বিপদে পড়তে পারেন। বাতাস থাকলে ভালো প্রস্তুতি নিয়ে বেরোতে হয়। আমাদের দেশে অবশ্য খুব বেশি হেরফের হয় না, কারণ তেমন ঠান্ডা খুব কমই পড়ে।
বিদেশের প্রেক্ষাপট
ইউরোপ-আমেরিকায় তাপমাত্রার পাশাপাশি বায়ুপ্রবাহের তথ্যও জেনে নিতে হয়। সেখানে শীতকালে বাতাসের গতি বেশি থাকে, ফলে ঠান্ডার অনুভূতি আরও তীব্র হয়। তাই সেখানকার মানুষ আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বাতাসের গতিও গুরুত্ব সহকারে দেখে।
আরও পড়ুন: বাতাস আসে কোথা থেকে? ০১ এপ্রিল ২০২৩। কার্যকারণ বিজ্ঞানচিন্তা, জানা অজানা বিজ্ঞানচিন্তা।



