বেশ কিছু ব্যবসায়িক চুক্তির ঘোষণা দিয়ে তিন দিনের সফর শেষে শুক্রবার (১৫ মে) চীন ত্যাগ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে এসব চুক্তি বাজারে তেমন ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া তৈরি করতে পারেনি। অন্যদিকে বিদায়বেলায় ওয়াশিংটনকে তাইওয়ান ইস্যুতে সতর্ক করার পাশাপাশি ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ কখনও শুরু হওয়া উচিত ছিল না বলে মন্তব্য করেছে বেইজিং। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে।
সফরের গুরুত্ব ও উদ্দেশ্য
২০১৭ সালের পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে প্রধান কৌশলগত ও অর্থনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী দেশটিতে এটিই ছিল ট্রাম্পের প্রথম সফর। আসন্ন গুরুত্বপূর্ণ মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে নিজের কমে যাওয়া জনপ্রিয়তা কিছুটা বাড়িয়ে নিতেই মূলত এই সফর থেকে বাস্তবসম্মত কিছু অর্জনের লক্ষ্য ছিল তার।
জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজন
সফরজুড়ে জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজন দেখা যায়। রাজকীয় অভ্যর্থনা, কুচকাওয়াজরত সেনাদের উপস্থিতি, বিলাসবহুল নৈশভোজ এবং গোপন বাগানে ব্যক্তিগত ভ্রমণের আয়োজন করা হয়। সফরের সময় ট্রাম্প বারবার চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং-এর প্রশংসা করেন এবং তার আন্তরিকতা ও ব্যক্তিত্বের কথা উল্লেখ করেন।
চূড়ান্ত বৈঠক ও নৈশভোজ
চীনা নেতাদের কার্যালয় হিসেবে ব্যবহৃত সাবেক রাজকীয় উদ্যান ঝংনানহাই কমপ্লেক্সে তাদের চূড়ান্ত বৈঠকের পর এবং লবস্টার বল ও কুং পাও স্ক্যালপসের নৈশভোজে অংশ নেওয়ার আগে ট্রাম্প জিনপিংকে বলেন, এটি একটি অবিশ্বাস্য সফর ছিল। আমি মনে করি এর থেকে অনেক ভালো কিছু বয়ে আসবে।



