পাবনা সদর উপজেলায় এক কিশোরীকে ধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগে আসামিদের বাড়িতে আগুন দেওয়ার ঘটনায় দগ্ধ হয়ে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার ঢাকার জাতীয় পোড়া ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুজনের মৃত্যু হয়। এর আগে সোমবার বিকেলে ওই হাসপাতালেই আরও একজনের মৃত্যু হয়।
নিহতদের পরিচয়
নিহতরা হলেন সুমন শেখ, সাইফুল ইসলাম সাব্বির ও সাপু। তারা সবাই ভাড়ারা ইউনিয়নের বাসিন্দা।
ঘটনার সূত্রপাত
গত বুধবার পদ্মা নদী থেকে এক কিশোরীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। বৃহস্পতিবার তার দাফনের পর ক্ষুব্ধ জনতা আসামিদের বাড়িতে হামলা চালিয়ে আগুন দেয়। আগুনে বেশ কয়েকটি রান্নার গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরিত হয়, এতে প্রতিবেশী ও আশপাশের লোকজন দগ্ধ হন। পুলিশ জানায়, আগুনের সময় আসামিদের পরিবারের কেউ বাড়িতে ছিল না।
পুলিশের কার্যক্রম
পাবনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তারিকুল ইসলাম তিনজনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, অগ্নিসংযোগ ও পরবর্তী মৃত্যুর ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা চলছে। মূল হত্যা মামলায় পুলিশ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে, যাদের মধ্যে কিশোরীর alleged প্রেমিক নায়েমও রয়েছে।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামিরা ধর্ষণ ও হত্যার কথা স্বীকার করেছে। কিশোরীর মরদেহ একটি বস্তাবন্দি অবস্থায় পাওয়া গিয়েছিল, যা এলাকায় ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি করে।



