বিএনপি নেতা রাশেদ খান বলেছেন, নির্বাচনের আগে জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) গাড়ি, বাড়ি, অফিস লাগত না, কিন্তু নির্বাচনের পরে সব লাগে। মঙ্গলবার (৯ জুন) দুপুরে নিজের ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ কথা বলেন।
জামায়াত-এনসিপির বিরুদ্ধে ক্ষোভ
গণ অধিকার পরিষদ ছেড়ে বিএনপিতে আসা এ নেতা লেখেন, ‘শুরুতে জামায়াত-এনসিপি জোট বললো, তারা ক্ষমতায় গেলে সরকারি বাড়ি-গাড়ির সুবিধা নেবে না। অথচ তারা সংসদে ঢুকেই গাড়ি চেয়ে বসলো, এরপরে অফিস।’ তিনি আরও বলেন, ‘এখন আবার সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি মারদিয়া মমতাজ আপা বলছেন, আত্মীয়ের বাসায় থেকে সংসদে আসতে খুব কষ্ট হয়। তিনি নাকি কোন প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষিকা ছিলেন, আবার নিয়মিত টকশো-তে যেতেন। তাহলে আমার প্রশ্ন হলো আপা কি এতদিন আত্মীয়ের বাসায় থেকেই শিক্ষকতা ও টকশো করে বেড়াতেন?’
মারদিয়া মমতাজের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন
বিএনপি নেতা আরও বলেন, ‘তিনি একদিন আমার সঙ্গে গ্লোবাল টেলিভিশনে শিক্ষক ও রাজনৈতিক পরিচয়ে টকশোতে ছিলেন। জামায়াতের পক্ষে তার বক্তব্য শুনে আমি বলে ফেলি, ‘আপা, জামায়াত করেন, কিন্তু শিক্ষক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক পরিচয়ে টকশোতে আসা কি দরকার? পরিচয় প্রকাশ করে টকশো করলে তো সমস্যা নেই।’ তিনি শেষমেশ স্বীকার করেন, তিনি (মারদিয়া মমতাজ) জামায়াতের কোনো পদে নাই, তিনি কর্মীও নন। তিনি একজন সমর্থক!’
রাশেদ খান বলেন, ‘আপা একটা বক্তব্য বলেছিলেন, শরিয়া আইন আসমান থেকে আসা কোন জিনিস না যে, রাতারাতি বাস্তবায়ন হয়ে যাবে! শরিয়া আইন তো জামায়াতের নিজস্ব আইন! ঠিক জামায়াতে ইসলামের মত!’ তিনি আরও বলেন, ‘এই আইন এতো শক্তিশালী যে, নির্বাচনের আগে গাড়ি, বাড়ি, অফিস লাগে না, কিন্তু নির্বাচনের পরে সব লাগে!’



