বিশ্বকাপে বাংলাদেশের সমর্থন চাইল নরওয়ে, হালান্ডের আবেদন
বিশ্বকাপে বাংলাদেশের সমর্থন চাইল নরওয়ে

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ শুরুর মাত্র দুই দিন আগে বাংলাদেশের ফুটবলপ্রেমীদের প্রতি বিশেষ আহ্বান জানিয়েছে নরওয়ে। বিশ্বকাপে বাংলাদেশ অংশগ্রহণ করছে না, তাই নরওয়েকে সমর্থন করার অনুরোধ জানিয়েছে দেশটির ঢাকা দূতাবাস। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় নরওয়ের বাংলাদেশ দূতাবাস লিখেছে, ‘ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এ বাংলাদেশের উচিত নরওয়েকে সমর্থন করা!’

কেন বাংলাদেশ নরওয়েকে সমর্থন করবে, সেই কারণও ব্যাখ্যা করেছে তারা। নরওয়ের ভাষ্য, ফুটবলের বাইরেও দুই দেশের মধ্যে অনেক মিল রয়েছে। বার্তায় বলা হয়, ‘আমাদের দুই ফুটবলপ্রেমী দেশের সম্পর্ক শুধু ফুটবলের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। আমাদের মধ্যে মিল রয়েছে, যা অনেকের ধারণার চেয়েও বেশি।’

ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক বন্ধন

নরওয়ে স্মরণ করিয়ে দেয়, স্বাধীনতার পর বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেওয়া প্রথমদিকের দেশগুলোর একটি ছিল তারা। পাশাপাশি শান্তি, মধ্যস্থতা এবং জলবায়ু ইস্যুতেও দুই দেশ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে কাজ করে থাকে। তারা বলেছে, ‘সম্মান, ইতিহাস ও বন্ধুত্বের ভিত্তিতে আমাদের সম্পর্ক গড়ে উঠেছে। বাংলাদেশ এবার বিশ্বকাপে খেলছে না। তাই ২৮ বছর পর ফুটবলের সবচেয়ে বড় মঞ্চে ফেরা নরওয়েই হতে পারে বাংলাদেশিদের সমর্থনের উপযুক্ত দল।’

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

দুই দেশের ভৌগোলিক ও সাংস্কৃতিক কিছু মিলও তুলে ধরা হয়েছে। নরওয়ের মতে, নদী ও সাগরনির্ভর উপকূলীয় দেশ হিসেবে বাংলাদেশ ও নরওয়ের মধ্যে রয়েছে অনেক সাদৃশ্য। মাছের প্রতিও দুই দেশের মানুষের ভালোবাসা রয়েছে। বার্তায় আরও বলা হয়, ‘আন্তর্জাতিক সহযোগিতা, উন্নয়ন কার্যক্রম কিংবা ফুটবল মাঠ—সব জায়গাতেই আমরা ন্যায্যতাকে গুরুত্ব দিই।’

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

ছোট দেশ, বড় স্বপ্ন

নিজ নিজ অবস্থানে দুই দেশ ছোট হলেও স্বপ্ন বড় বলেও মন্তব্য করেছে নরওয়ে। তাদের ভাষায়, ‘বাংলাদেশ ভৌগোলিকভাবে তুলনামূলক ছোট এবং জনসংখ্যার হিসেবে নরওয়ে ছোট। তবে বিশ্বমঞ্চে আমাদের দু’দেশেরই স্বপ্ন অনেক বড়।’ সবশেষে বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম তারকা আর্লিং ব্রাউট হালান্ডের কথাও উল্লেখ করা হয়। নরওয়ে বলেছে, ‘যারা এখনো নিশ্চিত নন, তাদের জন্য বাড়তি আকর্ষণ হতে পারে বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম বড় তারকা আর্লিং ব্রাউট হালান্ড।’

নরওয়ের ঢাকা দূতাবাস এই বার্তা দিয়ে তাদের স্ট্যাটাস শেষ করে, ‘তাহলে কী বলো, বাংলাদেশ? এবার আন্ডারডগদের পাশে দাঁড়ানোর সময়। একসঙ্গে বড় স্বপ্ন দেখার সময়।’